ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সর্বত্রই নির্বাচনী মাঠ সরগরাম, সভা-সমাবেশ শেষ মুহূর্তে প্রার্থীদের পদচারনায় মুখরিত গোটা জনপদ। গ্রাম থেকে প্রত্যান্ত অঞ্চল কে হাসবে বিজয়ের হাসি নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ ভোটারদের মন জয় করছেন প্রার্থীরা। ১২ ফেব্রুয়ারি তাদের মূল্যবান ভোটটি নিজ নিজ দলের প্রতীকে ভোট চেয়ে প্রার্থী সমার্থকরা একাধিকবার যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। তারই ধারাবাহিকতায় বাগেরহাট-৪ মোরেলগঞ্জ শরণখোলা আসনের বিএনপির নির্বাচনী শেষ জনসভায় দলের মনোনীত প্রার্থী সোমনাথ দে বলেছেন মিথ্যাচার বিভ্রান্ত ছড়িয়ে ভোটারদের মন জয় করা যাবে না। ধানের শীষের বিজয়ের জন্য সাধারণ মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। উন্নয়ন বঞ্চিত অবহেলিত উপকূলীয় এ জনপদের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয় করার আহবান জানান।
গত সোমবার বিকেলে আব্দুল আজিজ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলাও পৌর বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী এ জনসভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট-৪ মোরেলগঞ্জ শরণখোলার দলীয় মনোনীত প্রার্থী সোমনাথ দে। প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল হক বাবুল, বিশেষ বক্তা পৌর বিএরপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদ জব্বার, পৌর বিএনপির সভাপতি শিকদার ফরিদুল ইসলামের সভাপত্তিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি এফ এম শামীম আহসান, সাধারণ সম্পাক অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন, বিএনপি নেতা অধ্যাক্ষ জাহাঙ্গীর আল আজাদ, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, উপজেলা যুব দলের সাধারণ সম্পাদক এবিএম রেজাউল করিম সোহাগসহ বিভিন্ন নেতারা। সভাটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক রাসেল আল ইসলাম।
এদিকে বিএনপির নির্বাচনী সভা কে কেন্দ্র করে সভার নির্ধারিত সময় বিকালে থাকলেও দুপুর ১২টা থেকেই ১৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা প্রত্যান্ত গ্রাম থেকে বিভিন্ন সাজ সজ্জায় খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে সমবেত হয়। ধানের শীষে বিজয়ে নানা স্লো গানে স্লো গানে মুখরিত হয়ে ওঠে সমাবেশের গোটা মাঠ। নারী পুরুষ সমানে সমান জনতার ঢল একপর্যায়ে নির্বাচনী সভাটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
সভা শেষে প্রধান অতিথি ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী সোমনাথ দে এক প্রেস ব্রিফিং এ বলেন নির্বাচনকে ঘিরে প্রতিপক্ষ জামায়াত ইসলাম ঢাকা, রাজশাহী ও চিটাগং থেকে বহিরাগত শিবিরের কর্মীদের এনে জমায়েত করেছেন। এলাকায় বিভ্রান্তি আতঙ্ক অস্থিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন। প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি বহিরাগত এ শিবির ক্যাডারদের খুঁজে বের করে স্ব স্ব এলাকায় ফিরিয়ে যাওয়ার। একই সঙ্গে অবৈধ অস্র উদ্ধার সেক্ষেত্রে তার দলেরও যদি কোন কর্মী থেকে থাকেন তাকেও গ্রেপ্তার করার অনুরোধ জানান। নির্বাচনে দায়িত্বরত প্রিজাইডিং সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের ক্ষেত্রে দলীয় পোস্টধারী কোন ব্যক্তি দায়িত্ব পেলে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক: জাপানে ভারী তুষারপাতে নিহত অন্তত ৪৬