রংপুর-২ আসন
রংপুর জেলার বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত রংপুর-২ আসনে ভোটের উৎসবে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেষ হয়েছে প্রচার প্রচারণা। শেষ মুহূর্তের এই দৌড়ে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। তবে সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবার এই আসনে কোনো একক দলের আধিপত্য নেই; বরং লড়াই হবে বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে এক হাড্ডাহাড্ডি ত্রিমুখী সমীকরণে। বদরগঞ্জ তারাগঞ্জ এই জনপদে নির্বাচনী উত্তাপ এখন তুঙ্গে। নির্বাচনী মাঠের সর্বশেষ চিত্র দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাঠে নামায় দলটির কর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণসঞ্চার হয়েছে। তারা পরিবর্তনের ডাক দিয়ে সাধারণ ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন। জাতীয় পার্টি (জাপা): লাঙ্গল প্রতীকের এই দুর্গে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে আছেন জাপার প্রার্থীরা। পল্লীবন্ধু এরশাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে পুঁজি করে তারা ভোট চাইছেন। জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলামের প্রার্থিতা এই আসনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। জামায়াতের সুসংগঠিত ভোট ব্যাংক এবং ‘জুলাই বিপ্লবের’ চেতনাকে সামনে রেখে তারা শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তারাগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীন আপান বলেন, ‘আগে লড়াই হতো দুই দলে, এবার হচ্ছে তিন দলে তার মধ্য জাতীয় পার্টি এগিয়ে আছে। প্রার্থীদের ব্যক্তি ইমেজ আর গত কয়েক বছরের কাজের হিসাব কষেই আমরা ভোট দেব।’ তরুণ ভোটারদের মধ্যে কর্মসংস্থান এবং কৃষিভিত্তিক কলকারখানা গড়ে তোলার দাবিই প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে স্থানীয় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোনাববর হোসেন জানান, তারাগঞ্জের প্রতিটি কেন্দ্রে বিজিবি ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ভ্রাম্যমাণ আদালত টহল দিচ্ছে।
সারাদেশ: নড়াইলে মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে ফুলকপি