পটুয়াখালী-৩ (পটুয়াখালী-দশমিনা) নির্বাচনী এলাকায় (ট্রাক) সমর্থকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, নির্বাচনী কার্যালয় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, এক নারী সমর্থককে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত কোন সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার বা প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পটুয়াখালী-ত আসনের বিএনপি জোটের প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি (ট্রাক প্রতীক) নুরুল হক নুর। তিনি সতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনকে ইঙ্গিত করে বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী স্পষ্টতই একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী তিনি ভূমিদস্যু মাফিয়াদের নিয়ে এই শান্তির জনপদে অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য নির্বাচন বানচাল করার জন্য এ অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে এই সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করা না হয়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা না নেয় হয় তবে তার পক্ষে নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পটুয়াখালীর রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জেলা প্রশাসক কার্যলয়ের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সামনে তিনি বলেন, জেলা রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে দেখা করে ওখানকার ঘটনাগুলো ঘটছে তার একটা অভিযোগ দেয়া হয়েছে এগুলোর প্রতিকার কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে এগুলো জানার জন্য এবং জানানের জন্য এখানে এসেছিলাম। একই সঙ্গে পুলিশ সুপার মহোদয়ের সঙ্গেও আমি আজকে আমাদের গলাচিপা দশমিনায় একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনি যেভাবে ধারাবাহিক সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে যাচ্ছেন সে বিষয়ে তাদের আবারও অবগত করেছি।
তিনি বলেন, জেলা রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে দেখা করে ওখানকার ঘটনাগুলো ঘটছে তার একটা অভিযোগ দেয়া হয়েছে এগুলোর প্রতিকার কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে এগুলো জানার জন্য এবং জানানের জন্য এখানে এসেছিলাম। একই সঙ্গে পুলিশ সুপার মহোদয়ের সঙ্গেও আজকেরও আমাদের গলাচিপা দশমিনায় একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনি যেভাবে ধারাবাহিক সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে যাচ্ছেন সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, গত কয়েকদিন আগে দশমিনার চর বোরহানে ইউনিয়নে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছিল, তাদেরকে আহত করা হয়েছিল, অফিস ভাঙচুর করা হয়েছিল এবং পরবর্তী দিন গলাচিপার বকুলবাড়িয়াতে আমি একজন প্রার্থী আমাকে অবরুদ্ধ করা হয়েছিল। আমাদের ওপর ইটপাটক্কেল নিক্ষেপসহ কককেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। পুলিশের প্রশাসনের একজন সদস্য ডিএসবির লোক আহত হয়েছিল। এই দুটি ঘটনার পাশাপাশি ওই বকুলবাড়িয়াতে পরের দিন আমাদের একজন এজেন্টকে কুপিয়ে জখম করেছে।
চরকাজল ইউনিয়নের চরশিবাতে একজন নারী কর্মীকে রাতে ধর্ষণ করে ঘটনার ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিল। সকাল বেলা ওই নারী ঘটনা প্রকাশ করলে তাকে মারধর করে শেষ পর্যন্ত হত্যা করা হয়েছে। পরশুদিন গলাচিপায় আমখোলা ইউনিয়নে আমাদের একজন সমর্থকের বাসায় অগ্নিসংযোগ করে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এমনকি বুধবার, (১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) রাতেও দশমিনার আলিপুরা ইউনিয়নে আমাদের নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আমাদের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নেতা আবু রায়রাকে জনাব হাসান মামুন নিজে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।
বুধবার রাতে তার বাসার সামনে আমাদের নির্বাচনী অফিস অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছ্। এ ঘটনাগুলোই প্রতিনিয়ত পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসককে অবহিত করে আসছি। এ ঘটনাগুলো যারা ঘটাচ্ছে এটা একটা সন্ত্রাসি চক্র তারা নির্বাচন বানচাল করতে জনমনে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। জনগণ যেন ভোট কেন্দ্রে না যায়। ভোট দিতে না পারে, জনগন যেন আতঙ্কে থাকে সেজন্য এসব ঘটনা করে যাচ্ছে।
তারা অফিস ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ হত্যা ধর্ষণের উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে প্রশাসন যে ব্যাবস্থা নিয়েছেন তা সন্তোষ জনক নয়। আজকে আপনাদের জানিয়ে রাখতে চাই নির্বাচন কমিশনের সচিব মহোদয়কে তাকে জানিয়েছি, পুলিশের আইজিপি তাকেও জানিয়েছি। কারণ একজন সতন্ত্র স্পষ্টতই একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ভূমিদস্যু মাফিয়াদের নিয়ে এই শান্তির জনপদে অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য নির্বাচন বানচাল করার জন্য এ অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে এই সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করা না হয় ,তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা না নেয় হয় তবে আমার পক্ষে নির্বাচন করা সম্ভব নয়।
আন্তর্জাতিক: কানাডায় স্কুল ও বাসভবনে বন্দুক হামলায় নিহত ৯
আন্তর্জাতিক: ৫ লক্ষাধিক নথিবিহীন অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন
অর্থ-বাণিজ্য: ৯ দিনে এলো ১৩৮৪৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
অর্থ-বাণিজ্য: ৩১৪ কোটি টাকার ওষুধ-চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের অনুমোদন