বগুড়ার আদমদীঘিতে অবৈধ উপায়ে জালিয়াতির মাধ্যমে জমির দাখিলা-হোল্ডিং সংশোধন করতে গিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার আবাদপুকুর বাজারের আশরাফ আলীর ছেলে এম এ মতিন (৪৭), বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার বিহিগ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে রাজিম উদ্দীন (২২) ও একই উপজেলার তালসন গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে রাশেদুল ইসলাম (২৬)। গত সোমবার বিকেল সাড়ে ৬টায় আদমদীঘি উপজেলার নসরতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় উপজেলার নসরতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সুব্রত কুমার ঘোষ বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বিবাদীদ্বয়সহ আরো অজ্ঞাত ৩/৪ জন পরস্পর যোগসাজশে সম্প্রতি আদমদীঘি উপজেলার নসরতপুর ইউনিয়নের পুশিন্দা মৌজার আরএস খতিয়ান নং ৫৪০ এবং দত্তবাড়িয়া মৌজার আরএস খতিয়ান নং ৪১৫ নসরতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তার অনুমোদন ছাড়াই অবৈধ উপায়ে দাখিলা সৃষ্টি বা কাটে। পরবর্তীতে বিবাদীরা ২০৩১ হতে ২০৩২ অর্থবছর আসলে ১নং বিবাদী এম এ মতিনের মাধ্যমে নসরতপুর ভূমি অফিসে দাখিলা-হোল্ডিং সংশোধনের জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু উক্ত হোল্ডিংয়ের অনুমোদন কীভাবে পেলেন তা জিজ্ঞাসা করলে বিবাদীরা সঠিক উত্তর দিতে না পারায় নসরতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সুব্রত কুমার ঘোষ, বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে অবগত করেন। উক্ত বিবাদীদ্বয়কে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে নিয়ে জমির দাখিলা-হোল্ডিং কীভাবে জালিয়াতি করা হয়েছে। এমন বিষয়ে জানতে চাইলে বিবাদীরা তাদের দোষ স্বীকার করায় ওই তিনজনসহ অজ্ঞাত আরো ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে বিশ্বাস ভঙ্গ করে প্রতারণার মাধ্যমে জাল বা জালিয়াতির মাধ্যমে জমির দাখিলা তৈরি করার অপরাধ সংক্রান্ত ১৮৬০ সালের ৪০৬/৪২০ পেনাল কোড ধারায় উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক: কানাডায় স্কুল ও বাসভবনে বন্দুক হামলায় নিহত ৯
আন্তর্জাতিক: ৫ লক্ষাধিক নথিবিহীন অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন
অর্থ-বাণিজ্য: ৯ দিনে এলো ১৩৮৪৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
অর্থ-বাণিজ্য: ৩১৪ কোটি টাকার ওষুধ-চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের অনুমোদন