image

সব কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা মাঠে থাকছে ৬ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

প্রতিনিধি, মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট)

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারীকে ঘিরে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ১১৭টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬০টি ভোট কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত করেছে প্রশাসন। এছাড়াও ৩৬টি ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণের তালিকায় রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রেই থাকছে সিসি ক্যামেরা। কেন্দ্র গুলোতে কঠোর নিরপত্তার জন্য মাঠে থাকছের ৬ স্তরের সেনাবাহিনী , পুলিশ, বিজিবি, ব্যাটালিয়ান পুলিশ, আনসার সদস্য।

এছাড়াও মোবাইল কোর্ড টিমে থাকছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি ইতিমধ্য সম্পন্ন করা হয়েছে। ভোট বাক্স, ব্যালট পেপার পৌঁছে গিয়েছে নির্বাচন অফিস কার্যালয়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাগেরহাট-৪ মোরেলগঞ্জ শরণখোলা এ আসনটি ২০টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। ভৌগলিক অবস্থানের দিক থেকে সিমান্তবর্তী সুন্দরবনঘেঁষা পার্শ্ববর্তী বঙ্গোবসাগর-সংলগ্ন তীরবর্তী শরণখোলা উপজেলা। ২টি উপজেলা নিয়ে এ আসনটি। এবারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী সড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। এরা হলেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী সোমনাথ দে, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের অধ্যাক্ষ আব্দুল আলিম, জাতীয় পার্টির লাঙ্গন প্রতীকের সাজন কুমার মিস্ত্রী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মাও. ওমর ফারক নূরী ও জাতীয় সমাজতন্ত্রীকদল জাসদ (জে এস ডি) তারা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ খান। এ আসনটিতে মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৮০ হাজার ৬৭৮ জন এর মধ্যে মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ২ লাক্ষ ৭৩ হাজার ৪৫০ জন। ভোট কেন্দ্র ১১৭টি, এবং শরণখোলা উপজেলায় ১ লাখ ৭ হাজার ২২৮ জন ভোটার রয়েছে। এদের মধ্যে ২ উপজেলায় নারী ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৬৩ জন ও পুরুষ ভোটর রয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ২১২ জন। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ৩জন ভোটার রয়েছে। শরণখোলায় ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৮ টি।

প্রতিদ্বন্দ্বী সব প্রার্থীরা ইতোমধ্যে প্রচার-প্রচারণা শেষ করেছেন ভোটের মাত্র আর ১দিন বাকি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ভোট বাক্স ব্যালট পেপার এসে পৌঁছেছে।

উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার জানান মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১১৭টি ভোট কেন্দ্রে ১৫২১ জন আনসার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ সদস্যর টিমে একজন সেকশন কমান্ডার ও সহকারী কমান্ডার অস্ত্রধারী থাকছেন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ৩ জন করে অস্ত্রধারী আনসার সদস্য দায়িত্বে থাকবেন বলে এ কর্মকর্তা জানান।

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ বলেন, এ উপজেলায় ইতোমধ্যে নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ভোট কেন্দ্রগুলোতে কঠোর নিñিদ্র নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরা, পুলিশের বডি অন ক্যামেরা, দায়িত্বরত নিরাপত্তায় ৬ স্তরের সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, ব্যাটালিয়ান পুলিশ, আনসার সদস্য কেন্দ্রে থাকছেন। এছাড়া মোবাইল টিম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক মাঠে থাকছেন।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

» বাগেরহাটে নির্বাচনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা শহরতলী থেকে ককটেল উদ্ধার

সম্প্রতি