ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬
ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা আতঙ্ক, স্যোশাল মিডিয়ায় মিথ্যা প্রচারণা এবং লেভেল প্লেইং ফিল্ড ঠিক নেই অভিযোগ করে ভোটের আগের রাতে গতকাল বুধবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী। বাগেরহাট প্রেসক্লাবে পৃথক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন বাগেরহাট-১, ২ ও ৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ এইচ সেলিম ও বাগেরহাট-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ। এর আগে শহরের সোনাতলা এলাকার নিজ বাসায় নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিএনপি দলীয় প্রার্থী ব্যারিস্টার মো. জাকির হোসেন। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) সকাল থেকে বাগেরহাটের ৫৪৭টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল সাড়ে সাতটায় আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট গ্রহণ শুরু হলেও এর আগেই বিভিন্ন কেন্দ্রে উপস্থিত হন রাজনৈতিক দলীয় ভোটাররা। নারী ও পুরুষ ভোটাররা আলাদা লাইনে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করছেন। সকাল থেকে বাগেরহাট সদর উপজেলার খানজাহান আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৫০ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ হাজার ৮৪ জন এবং পুরুষ ভোটার ৯৬৬ জন। কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং অফিসার মো. তরিকুল ইসলাম জানান, এখানে দুটি পুরুষ ও দুটি নারী কক্ষ মিলিয়ে মোট ৪টি কক্ষে ভোট গ্রহণ চলছে। প্রতিটি কক্ষে দুটি করে গোপন কক্ষ রাখা হয়েছে, যাতে দ্রুত ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করা যায়। নারী ভোটারদের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই শেষে ব্যালট নিয়ে গোপন কক্ষে ভোট দিয়ে ব্যালট বাক্সে ফেলতে একজন ভোটারের ২ থেকে ৪ মিনিট সময় লাগছে। অন্যদিকে পুরুষ ভোটারদের ক্ষেত্রে সময় লাগছে ১ থেকে ৩ মিনিট। সকাল ৯টার দিকে পুরুষ ভোটারদের লাইনে মাত্র ছয়জনকে দেখা যায়। তবে একই সময়ে নারীদের দুটি লাইনে ৩০ জনের বেশি ভোটার উপস্থিত ছিলেন। এই কেন্দ্রে সকাল ৯টা পর্যন্ত মোট ২১০ জন ভোট দেন। এর মধ্যে ৯১ জন নারী এবং ১১৯ জন পুরুষ ভোটার। সকাল ৮ টার দিকে খানজাহান আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ভোটের পরিবেশ ভালো। সকাল ৮টার কিছু পর সদর উপজেলার সিংড়াই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ। তিনি নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করলেও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন। ভোটদান শেষে তিনি অভিযোগ করেন, তার এজেন্টদের কয়েকটি কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার পাশাপাশি হুমকি দিয়েছেন বিএনপির প্রার্থীর নেতা-কর্মীরা। নির্বাচন অফিস সূত্রমতে বাগেরহাটের ৪টি সংসদীয় আসনে মোট ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে বাগেরহাট-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম এবং বাগেরহাট-৪ আসনে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন ২ দিন আগে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে চারটি আসনে কার্যত ২১ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলমান। বাগেরহাটের ৪টি নির্বাচনী আসনে মোট ভোটার ১৩ লাখ ৬১ হাজার ১১১ জন। সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতে পুলিশ, সেনাবাহিনী, র্যাব, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, বিজিবি, আনসারসহ ১০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। বাগেরহাটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে।
অর্থ-বাণিজ্য: ‘দেশের ভেতরে নগদ অর্থ বহনে নির্দিষ্ট সীমা নেই’
অর্থ-বাণিজ্য: চট্টগ্রাম বন্দরের সেবা সহজ করতে চালু হলো ‘সিপিএ স্কাই’
অর্থ-বাণিজ্য: অর্থ উপদেষ্টার চোখে অর্থনীতির ৫ চ্যালেঞ্জ
অর্থ-বাণিজ্য: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর শুল্কে সংকটে ভারতের রপ্তানি
আন্তর্জাতিক: মুসলিম বিশ্বের জন্য মহাপরিকল্পনা এরদোয়ানের
অর্থ-বাণিজ্য: শনিবার যেসব এলাকায় খোলা থাকবে ব্যাংক