image
ছবিঃ সংগৃহীত

ভোটের আগের দিন ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ গ্রেপ্তার ৩, অস্ত্রধারীর কোনো দল নেই, যে দলের হোক, সে সন্ত্রাসী: ডিবি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক ,ঢাকা ,জেলা বার্তা পরিবেশক, পাবনা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে পাবনায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল গোলাবারুদ ও ম্যাগজিনসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর, ডিআইজি অফিস ও জেলা পুলিশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

গত মঙ্গলবার রাতে ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ও দিয়ারবাঘইল এলাকায় এই অভিযান চালানো হয় বলে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ।

গ্রেপ্তাকৃতরা হলেন- ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার চিংড়াখালী গ্রামের শাহীন হোসেন , ঈশ্বরদীর দিয়ার বাঘইল গ্রামের হযরত এবং একই উপজেলার মানিকনগর পশ্চিমপাড়ার মমিনুল ইসলাম খোকন ।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নাশকতাবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সংলগ্ন ওয়াসা প্রজেক্টের গেস্ট হাউজ এলাকা থেকে প্রথমে শাহীন ও হযরতকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মানিকনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মমিনুল ইসলাম খোকনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছে থেকে একটি বিদেশি সেমি-অটোমেটিক সেলফ লোডেড রাইফেল, একটি বিদেশি ২২ বোর রাইফেল (ম্যাগজিনসহ), একটি ৯ এমএম পিস্তল, একটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, একটি কাঠের বাটযুক্ত একনলা বন্দুক এবং বিভিন্ন বোরের মোট ১১৪টি গুলি ও একাধিক ম্যাগজিন।

পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা মূলত পেশাদার সন্ত্রাসী। তারা এসব অস্ত্র ব্যবহার করে এলাকায় ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছিল। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ডিবি পুলিশের নিবিড় নজরদারীর পর তাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো বড় নাশকতার পরিকল্পনা তাদের ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই চক্রের নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ দিকে বৃহস্পতিবার রাতে জেলা ডিবির ইনচার্জ রাশিদুল ইসলাম সংবাদকে জানায়,অস্ত্রধারীর কোন দল নেই, সে সন্ত্রাসী। নির্বাচনে নাশকতার টার্গেট ছিল বলে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। গত ৪ থেকে ৫ দিন ধরে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

বিভাগীয় ডিআইজি অফিস থেকে জানিয়েছেন, নির্বাচনের আইন শৃঙ্খখলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন কালে অবৈধ অস্ত্রের ক্লু পাওয়া যায়। এরপর পুলিশ হেডকোয়াটার্সের প্রযুক্তিগত সহায়তায় এ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ইউএসএর তৈরী পিস্তল, চেকোস্লোভাকিয়ার তৈরী রাইফেল, ও স্প্যানিশ তৈরী এসএমজিসহ অন্যান্য গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

বিভাগীয় ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান সংবাদকে জানায়, শান্তিপূর্ণ ভোট ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ শতভাগ চেষ্টা করে যাচেছন।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

» কুমিল্লার তিন কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত

» সিসি ক্যামেরা আতঙ্ক, প্রার্থীদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে বাগেরহাটে নির্বাচন শুরু

» নাটোরে সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণ শুরু

» শেরপুরে কেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট ছিনতাই

সম্প্রতি