image

বাগেরহাটে ধানের শীষ সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক নিহত

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর বাগেরহাটের পল্লীতে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় আহত স্বতন্ত্র প্রার্থীর (ঘোড়া প্রতীক) সমর্থক ওসমান সরদার (২৯) নিহত হয়েছেন। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় পার্শ্ববর্তী কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের ছিটাবাড়ী গ্রামে বিএনপি ও স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ওসমান সরদারসহ উভয় পক্ষের সাতজন আহত হন।

নিহত ওসমান সরদার বাগেরহাট সদর উপজেলার গোটাপাড়া ইউনিয়নের পার নওয়াপাড়া গ্রামের শাহজাহান সরদারের ছেলে।

নিহতের বড় ভাই সরদার এনামুল কবির বলেন, ওই এলাকায় ধানের শীষের লোকজন-ঘোড়া প্রতীকের লোকজন কোথায় গেল বলে খুঁজছিল। এ সময় আমার ভাইসহ কয়েকজনের সঙ্গে তাদের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ধানের শীষের সমর্থকরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করে।

তিনি আরও বলেন, পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই চিকিৎসকরা তাকে খুলনায় পাঠান। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ সংঘর্ষে আরও আহত হন ধানের শীষ গ্রুপের মিরাজ শিকদার (৩৫), হাবিবুর শিকদার (৩৭), হোসাইন বেপারী (২৫), ইমরান (২৫) এবং এমএএইচ সেলিম গ্রুপের ওসমান সরদার (৩৫) ও সালাম সরদার (৫৮)। আহতদের মধ্যে হাবিবুর শিকদার, মিরাজ শিকদার ও ওসমান সরদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের খুলনায় রেফার করেন।

বাগেরহাট সদর মডেল থানার ওসি মো. মাসুম খান বলেন, “ওসমান সরদারের মৃত্যুর খবর শুনেছি। ওই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু হয়েছে।”

উল্লেখ্য, সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম। এই দুই প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে আসনটিতে বিজয়ী হন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি