জামালপুরের মাদারগঞ্জে রবিনা আক্তার ওরফে বন্যা (২৬) নামে এক গৃহবধূকে গলা ও হাত কেটে হত্যার ঘটনায় আপন মামা সোহেলকে সন্দেহজনক গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জানা যায়, ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার ৩ নং গুনারীতলা ইউনিয়নের উত্তর জোড়খালী (মিলনবাজার) এলাকায় এই হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটেছে। মেলান্দহ উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের বাসিন্দা সুমন মিয়ার স্ত্রী নিহত বন্যা আক্তার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যা আক্তার ছোটবেলা থেকেই তার নানা বাড়ি (জোড়খালী মিলন বাজার) বেড়ে উঠেছেন। তার বাবার বাড়ি চরগোপালপুর পূর্বপাড়া। সে ওই এলাকার রবিউল ইসলামের মেয়ে। প্রায় তিন মাস আগে মেলান্দহ উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের বাসিন্দা ও মালয়েশিয়া ফেরত সুমনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়।
সম্প্রতি বন্যা আক্তার নানার বাড়ি বেড়াতে আসেন। ১২ ফেব্রুয়ারি গত বৃহস্পতিবার নির্বাচনের দিন সকালে নানার বাড়ি সকলেই ভোটকেন্দ্রে গেলে বন্যা, বাড়িতে একা ছিলেন।
নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র থেকে স্বজনরা বাড়ি ফেরার পর তার মামা কে রক্তাক্ত অবস্থায় বন্যাকে দেখতে পান। দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এরপর বন্যার স্বামীর অভিযোগে তার আপন মামা সোহেলকে সন্দেহজনক হিসেবে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ সংবাদ-কে বলেন, রবিনা আক্তার বন্যাকে গলা-হাত কেটে হত্যার ঘটনায় আপন মামা সোহেলকে সন্দেহজনকভাবে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সারাদেশ: পলাশে আমের মুকুলে ছেয়ে গেছে চারিদিক
সারাদেশ: মণিরামপুরে পান চাষে আগ্রহী চাষিরা
সারাদেশ: বরুড়ায় জামানত হারালেন ৬ প্রার্থী