জয়পুরহাটে দুটি আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত ৪ প্রার্থীর। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাটের দুটি সংসদীয় আসনে ভোটযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১৪ জন প্রার্থীর।
জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে ৩ জন এবং জয়পুরহাট-২ আসনে ১ জন প্রার্থী রয়েছেন এই তালিকায়। এই আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মোট ৮ জন প্রার্থী। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল সিট বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ (মার্কসবাদী) প্রার্থী ও বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের অর্থ সম্পাদক তৌফিকা দেওয়ান ওরফে লিজা কাঁচি প্রতীকে পেয়েছেন ৬১৭টি ভোট, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের প্রার্থী অধ্যক্ষ ওয়াজেদ পারভেজ মই প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭৮ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার ওরফে শিখা ঘোড়া প্রতীকে ১৩ হাজার ২৮৬ ভোট পেয়েছেন। তারা তিনজনই জামানত হারিয়েছেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে। এর কম ভোট পেলে তিনি জামানত ফেরত পাবেন না। তার জামানতের অর্থ সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে। জয়পুরহাট-১ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৫৬। সেই হিসেবে জামানত বাঁচাতে হলে একজন প্রার্থীকে ন্যূনতম ৪২ হাজার ৬৯৪ ভোট পেতে হতো। কিন্তু ওই তিন জনের কেউই সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পরেননি।
এই আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা আমির ফজলুর রহমান সাঈদ। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩৫ ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ছিল ৭৩ দশমিক ২৫ শতাংশ।
অপরদিকে, জয়পুরহাট-২ (কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুর) আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৬০। এর মধ্যে ঈগল প্রতীকে ১ হাজার ৫৫৫টি ভোট পেয়ে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) দলের প্রার্থী এস এ জাহিদ। আসনটিতে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও সাবেক সচিব আব্দুল বারী বিজয়ী হয়েছেন। আর তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপালা প্রতীক জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এসএম রাশেদুল আলম ওরুফে সবুজ পেয়েছেন ৯১ হাজার ১১২ ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ছিল ৭৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ। জামানত রক্ষার জন্য এবি পাটির প্রার্থী এস এ জাহিদের ন্যূনতম প্রয়োজন ছিল ৩২ হাজার ২৭০ ভোটের। তবে এই ভোট অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তারও জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক: নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত ৩২
আন্তর্জাতিক: অভিবাসন আইন কঠোর করছে ইতালি
অর্থ-বাণিজ্য: সুগন্ধি চাল রপ্তানি সময়সীমা ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়লো
অর্থ-বাণিজ্য: তারেক রহমানকে বিজিএমইএ’র অভিনন্দন