image

রায়গঞ্জে সরবরাহ বাড়লেও নিত্যপণ্যের দাম চড়া

প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ)

ভোটের ছুটিতে রায়গঞ্জের বাজারে সবজি, মাছ-মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ কমেছে। নির্বাচনে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বহনকারী যানবাহন এর বাইরে ছিল। তবুও ঝুঁকি বিবেচনায় বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পণ্য গাড়ি অপেক্ষাকৃত কম আসায় ও এলাকার কৃষকরা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করার জন্য সরবরাহ কমেছে। এতে নানা ধরনের সবজি, মাছ-মাংসের দাম বেড়েছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, স্বাভাবিকের তুলনায় সরবরাহ গত ৪/৫ দিন কিছুটা কম ছিল। যদিও শনিবার ও রবিবার সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। তবে পাইকারি বাজারে দাম গত ৪/৫ দিনের মতোই বেশি রয়েছে। রায়গঞ্জের বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত ৪/৫ দিনের মতো আজও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি কম রয়েছে। কাঁচামালের দোকানগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই বন্ধ রয়েছে। আর ক্রেতার সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের এক তৃতীয়াংশ নেমেছে।

শনিবার সকালে উপজেলার ধানগড়া বাজারে দেখা গেছে, প্রতি কেজি শিম, মুলা ও বেগুন মানভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে যা ৩০-৪০ টাকায় পাওয়া যেত। পেঁপে ও মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে, আগের সপ্তাহের চেয়ে ১০ বেশি। প্রতি পিস ফুলকপি ৫-৬০ টাকায়, বাঁধাকপি ৩০-৪০ টাকায়, লাউ ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। মরিচের দামও কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৫০ টাকায়। শসা প্রতি কেজি ৬০-৭০ টাকায় এবং গাজর ও টমেটো ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সালাদের জন্য অধিক চাহিদা থাকায় এই তিন ধরনের সবজির দামই কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এদিকে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা বেড়ে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে যা ৪০ টাকায় পাওয়া যেত। আর প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকায়। গত সপ্তাহে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যেত।

মাছের বাজারেও প্রায় সব ধরনের মাছে দাম বাড়তি রয়েছে। রুই মাছ প্রতি কেজি ২৮০-৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাতলা ৩০০-৩৫০ টাকা, পাঙ্গাশ ১৮০-২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৬০-২০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। চিংড়ি প্রতি কেজি ৬৫০-৭০০ টাকা। মাঝারি আকারের কই মাছ ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৫৫০-৬০০, সুরমা ৩০০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্রয়লার মুরগির দাম দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। সোনালি মুরগির কেজি ৩০০-৩২০ টাকা, গত সপ্তাহে যা ২৭০ থেকে ২৯০ টাকায় পাওয়া যেত। তবে ডিমের দাম স্থিতিশীল আছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা গত সপ্তাহে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। আর খাসির মাংস পূর্বের দাম ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

» বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাগেরহাট

» রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় হত্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা

সম্প্রতি