বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার কলাবাগান এলাকায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের একটি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে খনন ও মাটি দিয়ে ভরাট করার অভিযোগ উঠেছে শহরের বিশিষ্ট চাল ব্যবসায়ী হাফেজ বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে। গত শনিবার ও রোববার হাফেজ বেলাল হোসেনের স্বয়ংক্রীয় চাল কলের পাশে এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি খনন ও ভরাটের কাজ চলে। ভরাট করা জায়গার একদম পাশে সান্তাহার-বগুড়া আঞ্চলিক সড়কের অবস্থান।
সরেজমিন গত রোববার ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, হাফেজ বেলাল হোসেনের হুমায়রা স্বয়ংক্রীয় চালকলের উত্তর পাশের সওজের জায়গা এক্সকাভেটর মেশিন দিয়ে খনন করা হচ্ছে। কিছু শ্রমিক ওই জায়গার মাটি কোদাল দিয়ে সমতল করছে। খবর পেয়ে গণমাধ্যেম কর্মিরা সেখানে হাজির হলে দ্রুত এক্সকাভেটর মেশিনটি ওই স্থান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। পরে মাটি সমান করার শ্রমিকরা সেখান থেকে সটকে পড়েন। এর আগে শনিবার ওই জায়গার উত্তর পাশে সড়কের পাশে একটি বড় বড়ই গাছ ও তাল গাছে কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দেয়। পরবর্তিতে স্থানীয় জনগণ গাছের আগুন নিভিয়ে ফেলেন। বিষয়টি নিয়ে সেখানে উপস্থিত হুমায়রা স্বয়ংক্রীয় চাল কলের কর্মচারী মোবারক হোসেনকে বলেন, জায়গাটি ভরাট করে লাল শাকের আবাদ করা হবে। তবে এ বিষয়ে সওজের কোনো অনুমতি রয়েছে কি না তার তার জানা নেই। এ বিষয়ে কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা মো. ইসলাম বলেন, হাফেজ বেলাল তার মিলের দুর্গন্ধযুক্ত পানি রাস্তার পাশে একটি জায়গায় জমা করে রাখেন। ওই পানির দুর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ ভয়াবহ খারাপ হয়ে গেছে। ক্ষতিকর পরিবেশের কারণে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি দ্রুত এই দুর্গন্ধযুক্ত পানি অপসারণ করার দাবি জানান। বিষয়টি নিয়ে বগুড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী সুলতানা বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই। তিনি সেখানে একজন কার্যসহকারীকে পাঠিয়েছেন বলে জানান। এ বিষয়ে মুঠোফোনে হুমায়রা স্বয়ংক্রীয় চাল কলের স্বত্বাধিকারী হাফেজ বেলাল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।