ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী জেলার চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটি আসনে ১৬ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়ে জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,
নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) : ডোমার ও ডিমলা উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এখানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর জেলা আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার ১ লাখ ৪৯ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম-এর মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী পান ১ লাখ ১৮ হাজার ১৬৯ ভোট। ৩১ হাজার ৫৪ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন আব্দুস সাত্তার।
নীলফামারী-২ (সদর) : জেলার গুরুত্বপূর্ণ সদর আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এখানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-মনোনীত প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী (তুহিন)-কে পরাজিত করে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ ১০ হাজার ৬২৩ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন। এ আসনে জামানত হারান- হাসিবুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), সারোয়ারুল আলম বাবু (খেলাফত মজলিস), সিরাজুল ইসলাম (বিএনএফ)।
নীলফামারী-৪ (কিশোরগঞ্জ-সৈয়দপুর): এই আসনে সর্বোচ্চ ৯ জন বৈধ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এখানে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আব্দুল মুনতাকিম ১ লাখ ২৬ হাজার ২২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল গফুর সরকার পান ৮২ হাজার ৮৬ ভোট।
এ আসনে জামানত হারিয়েছেন- মো. শহিদুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মির্জা মো. শওকত আকবর (রওশন), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো, রিয়াদ আরফান সরকার রানা (ফুটবল), মো, জোবায়দুর রহমান হীরা (ঘোড়া), মো. মাইদুল ইসলাম (বাসদ-মার্কসবাদী) এবং এস এম মামুনুর রশীদ (মোটরসাইকেল) প্রতীক।
নির্বাচনী ফলাফলে দেখা গেছে, জেলার তিনটি আসনে বড় ব্যবধানে জয়-পরাজয়ের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী ন্যূনতম ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটারদের কৌশলগত ভোট ও প্রধান দলগুলোর মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণেই ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কাক্সিক্ষত ভোট পাননি।
অর্থ-বাণিজ্য: নতুন সরকারকে ঢাকা চেম্বারের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
অর্থ-বাণিজ্য: ছয় মাসে এডিপি বাস্তবায়ন সাড়ে ১৭ শতাংশ
অর্থ-বাণিজ্য: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি নাবিল মুস্তাফিজুর রহমান