বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। পার্শ্ববর্তী দেশগুলো বড় বড় ডিজিটাল কর্মসূচি গ্রহণ করছে এবং সরকারি কর্মকর্তাদের এআই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আমরা পিছিয়ে থাকলে বিশ্ব আমাদের করুণার দৃষ্টিতে দেখবে। তাই আগামী পাঁচ বছরের প্রতিটি দিন কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অবস্থানে এগিয়ে নিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।
আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো খাদ্যসামগ্রীর দাম স্থিতিশীল রাখা। বিশেষ করে রমজান মাসে এ দায়িত্বের গুরুত্ব বেড়ে যায়। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই রোজা শুরু হওয়ায় বিশেষ কিছু করার সময় কম ছিল। তবে আশার কথা, আমাদের পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে এ মজুত যথেষ্ট।
সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী জীবনমান উন্নয়নের কাজগুলো অগ্রাধিকার পাবে। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আইটি খাতের প্রসারে জোর দেওয়া হবে। সিলেটে একটি এআই সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণাও দেন তিনি।
আইটি পার্কে কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হলে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমাতে হবে। সিলেটে প্রবাসী ও দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নীতিসহায়তা প্রয়োজন। আমরা এসব বাধা দূর করে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছি, যার প্রতিফলন দ্রুতই দৃশ্যমান হবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এম এ মালিক, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
নগর-মহানগর: বসন্তের আকাশ হঠাৎ অন্ধকার, মনে বিষণ্ণতার ছায়া
সারাদেশ: কুষ্টিয়ায় সড়কে ধুলোদূষণ, বাতাসে বিষ