হবিগঞ্জের রাজিউড়া ইউনিয়নের চড়িপুর গ্রামের আল আমিন, এলাকায় সফল মাশরুম উদ্যোক্তা হিসেবে বেশ আলোচিত। বর্তমানে তার মাসিক আয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা।
এক সময় ইউটিউব দেখে মাশরুম চাষ শুরু করে আল-আমিন। এ নিয়ে শুরুতে অবহেলা ও উপহাসের শিকারও হতে হয়েছিলো।
জানা যায়, মাত্র ৮০০ টাকা নিয়ে বাড়ির টিনশেড ঘরে শুরু হয়েছিলো তার মাশরুম চাষের যাত্রা। প্রথমে ৪৬টি খড়ের সিলিন্ডার দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে তার খামারে রয়েছে ৫০০টির বেশি সিলিন্ডার। যেখান থেকে প্রতিদিন ৩৪ কেজি মাশরুম উৎপাদন হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি মাশরুম বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা দরে।
এদিকে, আল আমিনের সাফল্যে স্থানীয় অনেকেই এখন মাশরুম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। অনেকে আবার আল আমিনের খামারে আসছেন প্রশিক্ষণ নিতে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ওই এলাকার প্রায় ৩০ জন কৃষক সরকারিভাবে মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। পাশাপাশি আল আমিনের কাছ থেকে শিখছেন হাতে কলমে।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম মাসুদুল আলম সংবাদ ডিজিটালকে জানান, মাশরুম চাষ নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে সরকারি পর্যায় থেকে বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আল আমিনকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
আল আমিন জানান, বর্তমানে দেশে মাশরুমের চাহিদা বাড়লেও উৎপাদন তুলনামূলক কম। এতে বাজারে সরবরাহ বজায় রাখতে অনেকটাই হিমশিম খেতে হচ্ছে।
শীত মৌসুমে উৎপাদন ভালো হলেও গরমে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে কয়েক মাস চাষ বন্ধ রাখতে হয়। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে মাশরুম চাষের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান এই তরুণ উদ্যোক্তা।
নগর-মহানগর: বসন্তের আকাশ হঠাৎ অন্ধকার, মনে বিষণ্ণতার ছায়া
সারাদেশ: কুষ্টিয়ায় সড়কে ধুলোদূষণ, বাতাসে বিষ