সিরাজগঞ্জ শহরকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রকল্প চালু করলেন সিরাজগঞ্জের চেম্বার অফ কমার্স-এর পরিচালক ব্যবসায়ী হাজী আব্দুস সাত্তার। প্রকল্পের আওতায় সিরাজগঞ্জ জেলার গরিব, অসহায় ও দুস্থরা কাজ করবে।
এই প্রকল্পে গরিব, অসহায় ও দুস্থরা পৌর শহরের রাস্তাঘাটে আর্বজনা-পলিথিন, গাছের পাতা, বিভিন্ন ধরনের ময়লা ১টি ব্যাগ ভর্তি করে এনে দিলে, তার পারিশ্রমিক হিসেবে ১শ টাকা প্রদান করা হচ্ছে। কোন গরিব, অসহায় ও দুস্থ যদি ৫টি ব্যাগ ভর্তি করে এনে তাকে ৫শ টাকা প্রদান করা হচ্ছে। ব্যাগের ময়লা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে।
শহরের কাটাওয়াপদার মাসুদ বলেন, প্রতি সপ্তাহে হাজী সাত্তার ভাই আমাকে আর্থিক সহযোগিতা করত। এখন আবর্জনা দিচ্ছি প্রতি বস্তা আবর্জনার বিনিময়ে পাচ্ছি ১শ টাকা। আমি আজ ৮টি বস্তা আর্বজনা এনে দিয়েছি, আমাকে ৮শ টাকা দিয়েছে। মতি সাহেবের ঘাট এলাকার সুন্দরী বেগম বলেন, আমি শহর থেকে ৩ বস্তা পলিথিনসহ আর্বজনা এনে দিয়েছি, আমাকে ৩শ টাকা দিয়েছে।
জানা যায়, সিরাজগঞ্জ শহরকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ নিয়েছেন হাজী আব্দুস সাত্তার। তার আন্তরিকতা, পরিশ্রম আর শহরের প্রতি গভীর ভালোবাসা আজ সিরাজগঞ্জবাসীর কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম হয়েছে। রাস্তা-ঘাট পরিষ্কার রাখা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা তৈরিতে তার অবদান সত্যিই প্রশংসনীয়। তার এই নিরলস প্রচেষ্টা আমাদের সবাইকে আরও সচেতন ও দায়িত্ববান হতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
সিরাজগঞ্জ চেম্বার অফ কমার্স-এর পরিচালক, ব্যবসায়ী হাজী আব্দুস সাত্তার বলেন, প্রতি সপ্তাহে অসহায়, দুস্থ ও গরিবদের আর্থিক সহযোগিতা করে আসছি। সিরাজগঞ্জ শহরকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে আর্থিক সহযোগিতাভোগীদের দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রকল্প চালু করেছি।
এই প্রকল্পে দুটি কাজ হচ্ছে- ১. অসহায়, দুস্থ ও গরিবদের আর্থিক সহযোগিতার পরিবর্তে পরিশ্রমের মূল্য দিচ্ছি ২. সিরাজগঞ্জ শহরকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে রাখছি। তিনি আরও বলেন, আসুন সিরাজগঞ্জ শহরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখতে আমরা সবাই সচেতন হই।
অর্থ-বাণিজ্য: সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়লো
অর্থ-বাণিজ্য: টানা দরপতনেও বাজার মূলধন বাড়লো হাজার কোটি টাকা