সরকার নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে বাজার মূল্যের ব্যবধান প্রায় সমান হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই কেশবপুর খাদ্য গুদামে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান সম্পন্ন হয়েছে। চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ অপ্রতুল হওয়ায় মিল মালিক ও কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। আগামীতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি কৃষকদের।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ নভেম্বর দেশব্যাপী সরকারিভাবে আমন মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু কেশবপুর খাদ্য গুদামে ২৫ নভেম্বর ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়। সরকারিভাবে প্রতি কেজি ধান ৩৪ টাকা ও চাল ৫০ টাকা বাজার দর নির্ধারণ করা হয়। সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ধান- ২০০ মেট্রিক টন ও চাল ৩৩৩ মেট্রিক টন। সংগ্রহ অভিযান শেষ হবে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি। শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে সংগ্রহ অভিযান ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। কিন্তু শেষ সময়ে আবহাওয়া পরিবর্তন হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই সংগ্রহ অভিযান শেষ হয়।
চালের ডিলার বিষ্ণুপদ দাস জানান, বর্তমান বাজারে প্রতি মন ধান ১১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে মোটা চালের বাজার দর প্রায় সরকারি দামের সমান। এ অবস্থায় খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহ করলে কোনো লাভ থাকবে না মিলারদের। মিলাররা সরকারি গুদামে চাল সরবরাহে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। লোকসান হলেও আগামী দিনের আশায় মিলাররা গুদামে চাল সরবরাহ করে।
সচেতন চাল ব্যবসায়ীদের অভিমত, সরকারি ক্রয়মূল্য বৃদ্ধি করা হলে স্থানীয় বাজারেও চালের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাবে। অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে সরকারি গুদামে ধান-চাল সংগ্রহ না হলেও বাজারে দাম অস্বাভাবিক বাড়ার সম্ভবনা নেই। এ অবস্থায় যেটুকু ঘাটতি থাকবে তা সরকার আমদানি করেই চাহিদা পূরণ করতে পারবে।
কেশবপুর খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা বানেচুর রহমান বলেন, কৃষকের অ্যাপসে আবেদন করার পর লটারিতে যেসব কৃষক বিজয়ী হবেন তারাই সরকারি খাদ্য গুদামে ধান দিতে পারবেন। কৃষকের অ্যাপস ছাড়া ধান কেনার কোনো সুযোগ নেই। সরকারি মূল্যের সমান বাজার মূল্য সমান হওয়ায় ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শেষে হয়েছে।
অর্থ-বাণিজ্য: সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়লো
অর্থ-বাণিজ্য: টানা দরপতনেও বাজার মূলধন বাড়লো হাজার কোটি টাকা