image
শরণখোলা : মুক্তি মেলেনি ২০ জেলের -সংবাদ

প্রায় এক সপ্তাহ পার হলেও মুক্তি মেলেনি অপহৃত ২০ জেলের

প্রতিনিধি, শরণখোলা

প্রায় এক সপ্তাহ পার হলেও মুক্তি মেলেনি বঙ্গোপসাগর থেকে দস্যু বাহিনীর হাতে অপহৃত ২০ জেলের। তাদের মুক্তিপণ হিসেবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মহাজনদের কাছে সাড়ে তিন লাখ টাকা করে ৭০ লাখ টাকা দাবি করেছে দস্যুরা। তবে মুক্তিপণ কমবেশি নিয়ে জেলেদের মহাজন ও দস্যুদের মধ্যে দর-কষাকষি চলছে বলে জানিয়েছে বনবিভাগ।

এদিকে দস্যু আতঙ্কে প্রায় চার দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর গতকাল শনিবার সকাল থেকে কিছু কিছু ট্রলার ঝুঁকি নিয়ে সাগরে যাওয়া শুরু করেছে। জেলেদের চরের কাছাকাছি দূরত্বে থেকে মৎস্য আহরণ এবং সাগর থেকে দিনে দিনে ফিরে আসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বনবিভাগ থেকে।

গত সোমবার রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ২০টি ট্রলার থেকে দুবলার শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের আওতাধীন আলোরকোল ও নারকেলবাড়িয়া শুঁটকি পল্লীর ওই ২০ জেলেকে অপহরণ করে দুর্ধর্ষ বন ও জলদস্যু জাহাঙ্গীর ও সুমন বাহিনী।

এ ঘটনার পর অপহরণ আতঙ্ক আর নিরাপত্তার অভাবে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের নিয়মিত জেলেসহ শুঁটকি উৎপাদনে নিয়োজিত জেলেরা সাগর ও বনে মাছ ধরা বন্ধ করে দেয়। এতে দেশের বৃহত্তম এই শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রে ভয়াবহ মাছ সংকট দেখা দিয়েছে। অপরদিকে, মাছ ধরতে না পারায় লাখ লাখ টাকা লোকসানে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি আর্থিক সংকট দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার দরিদ্র জেলে।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের বিশেষ টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ফরেস্ট রেঞ্জার) মিল্টন রায় অপহৃত জেলেদের মহাজনদের বরাত দিয়ে বলেন, ২০ ট্রলার থেকে ২০ জেলেকে তুলে নেওয়ার পর শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে দস্যুদের দেওয়া মোবাইল নম্বরে কথা বলেছেন মহাজনরা। ট্রলারপ্রতি তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছে তারা। দস্যুদের সঙ্গে কথা বলে চাঁদার পরিমান কমানোর চেষ্টা করছেন মহাজনরা। দস্যুরা চাঁদা পরিশোধের নির্ধারিত সময়সীমা বেঁধে দেয়নি।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি