image

জীবননগরে ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে আমের মুকুল

প্রতিনিধি, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা)

ঋতুচক্রের আবর্তনে বিদায় নিয়ে শীতকাল। এখন বসন্ত। তবে মাঘ মাসের শেষ ভাগে প্রকৃতির সৌন্দর্য বেড়ে গেছে। সবুজ পাতা ঝরে গিয়ে গাছে গাছে নতুন পাতার জন্ম নিয়েছে। সবুজ পাতার মাঝে উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল। আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে ঋতুরাজ বসন্তের আগমনের জানান দিচ্ছে।

গাছে গাছে এখন শোভা পাচ্ছে আমের মুকুল। সবুজ পাতার মাঝে সোনালি রংয়ের আমের মুকুল ছড়িয়ে পড়েছে। ঋতুরাজ বসন্তের আগমনীর বার্তা নিয়ে প্রকৃতি সেজেছে এক অন্যন্য রূপে।

আমের মুকুল দেখে আশায় বুক বাঁধছে অনেকেই। এখন থেকেই গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত তারা।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় বিভিন্ন জাতের আম গাছে মুকুল দেখা দিয়েছে। আমের মুকুলের ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়েছে বাতাসে। প্রকৃতিতে যেন মধুমাস বসন্তের আগমনী বার্তা দিচ্ছে। কৃষকেরা এখন থেকেই আমের মুকুল পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে। এখানে বসত বাড়ির আঙ্গিনায়, রাস্তার পাশে, পুকুর পাড়ে, বাগানে, ফসলের জমিতে অনেক আম গাছ রয়েছে। অনেকে আবার বাণিজ্যিকভাবে আমের বাগান তৈরি করেছে। বিশেষ করে হিমসাগর, তিলেবোম্বাই, ফজলি, ল্যাংড়া, আম্রপালি, মল্লিকা জাতের আম গাছ এখানে বেশি দেখা যায়।

আমবাগানের মালিক উথলী গ্রামের আকবার আলী জানায়, ৫ বিঘা জমিতে আম্রপালি জাতের আম আছে।বাগানের চারপাশে কিছু হিম সাগর গাছ রয়েছে। এবার গাছে খুব ভালো মুকুল এসেছে মনে হচ্ছে। মুকুল টিকিয়ে রাখতে প্রতিনিয়ত গাছের পরিচর্যা করা হচ্ছে। জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে।

তুহিন আলী নামে একজন বলেন, আমার বাড়ির আঙ্গিনায় ও ফসলের জমির আইলে কিছু হিমসাগর জাতের আম গাছ রয়েছে। পারিবারিক চাহিদা পূরণ করে আম বাজারে বিক্রি করে থাকি। প্রতিবছর গাছে ভালো মুকুল আসে। এবারও অনেক ভালো মুকুল এসেছে। তবে গুঁটি অবস্থায় অনেক আম ঝরে পড়ে। যার কারণে কৃষি অফিসারের পরামর্শে এখন থেকেই আম গাছের যতœ নেওয়া শুরু করে দিয়েছি।

লিটন হোসেন নামের একজন বলেন, এবার আগেভাগেই আম গাছে অনেক মুকুল দেখা যাচ্ছে। মুকুল আসার সময়টা খুব ঝুঁকিপূর্ণ। ঘন কুয়াশায়, ঝড়বৃষ্টি ও রোগবালাইয়ে মুকুল ঝরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া ভালো আছে। আমের গুঁটি দাড়ানো পর্যন্ত এমন আবহাওয়া থাকলে অনেক লাভবান হওয়া যাবে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

» জয়পুরহাটে হলুদে বাম্পার ফলনেও হাসি নেই চাষিদের

সম্প্রতি