image
দৌলতপুর (মানিকগঞ্জ) : বাজারের ড্রেনেজ ব্যবস্থা বেহাল -সংবাদ

দৌলতপুর বাজারের ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশা

প্রতিনিধি, দৌলতপুর (মানিকগঞ্জ)

মানিকগঞ্জ জেলা দৌলতপুর উপজেলা চক মিরপুর ইউনিয়নের সদর দৌলতপুর বাজারের ড্রেনেজ ব্যবস্থা বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। মাছ বাজার হতে দুপাশ দিয়ে দুটি ড্রেন রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোন মেরামত না করায় গোটাবাজারে মানুষের পায়ে ছড়িয়ে পড়েছে দুর্গন্ধ। এতে করে ব্যাপক দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বাজারজুড়ে। নিয়মিত পরিষ্কার ও সংস্কার না করায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এছাড়া দীর্ঘ দিনের পুরাতন সেডগুলো মেরামত না করায় সেগুলো ব্যবহারের অনপযোগী হয়ে উঠেছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় পান হাট ও মাছ বাজার হতে যে ড্রেন রয়েছে এর পাশে রয়েছে মুরগির দোকান, হোটেল ও কাঁচাবাজার ড্রেন ওপরে বসে রয়েছে। এ কারণে নিয়মিত পরিষ্কার করা সম্ভব হয়না। এ ছাড়া ড্রেনের অবস্থা এত ছোট যে ময়লা আবর্জনা থাকে তা ড্রেন দিয়ে প্রবাহিত হওয়া সম্ভব হয়না। এতে করে ড্রেনর মধ্যেই ময়লা আবর্জনা পৌঁছে গিয়ে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছে বাজারে আসা যাওয়া করা সাধারণ মানুষ ও দোকান মালিকরা। একই চিত্র গুড় হাটের ড্রেনের। এখানে অনেক দোকান পাট ড্রেনের ওপর বসে আছো।

কাঁচামাল ব্যবসায়ী হবি ও বান্দু শেখ জানান যে, তারা নিয়মিত ইজারা দিয়ে থাকে কিন্তু প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর হবে তাদের বাজারে কোন প্রকার উন্নয়ন কাজ হয় নাই। ড্রেনগুলো পরিষ্কার না করার কারণে এমন দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তারা বলেন, শুধু তাই নয় বাজারে পাবলিক টয়লেটের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। টয়লেটে একটা টিউবয়েল থাকলেও তা অনেক দিন ধরে নষ্ট হয়ে আছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছে বাজারের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। বাজারে আসা বিভিন্ন গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। চায়ের দোকানদার দিলীপ বসাক জানান যে, মাছ বাজার থেকে আসা পানি নিষ্কাশন রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পঁচা পানির দুর্গন্ধে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি।

দৌলতপুর বাজারের ব্যবসায়ী প্রধান সমন্বয়ক আরফান আলী প্রধান বলেন, ‘বাজারে তিনটি সেড ঘর রয়েছে। সেগুলো ২৫ থেকে ৩০ বছর আগে মহিদুর রহমান মুক্তা চেয়ারম্যান নির্মাণ করেছিলেন অপরিকল্পিতভাবে। কিন্তু সেটা সঠিকভাবে বণ্টন করে না দেয়ায় অবহেলা অযত্নে সেড সেগুলি নষ্ট হয়ে গেছে।’ সামনের কাল বৈশাখী ঝড়ে এগুলো যে কোন সময় পড়ে যেতে পারে এবং জান মালের ক্ষতি হতে পারে। এগুলো মেরামত করা এখন সময়ের দাবি হয়ে পড়েছে। এগুলো নতুন করে সংস্কার করতে হবে। তাহলে বাজারে আসা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেক লাঘব হবে। একই কথা বলেন মুদির দোকানদার আব্দুল মজিদ তিনি দৈনিক সংবাদ জানান যে সময় সেডগুলো তৈরি করা হয়েছিল। সঠিকভাবে বণ্টন করে দেয়া হতো তাহলে সরকারী নির্মাণ করার সেগুলো এত ক্ষতির সম্মুখীন হত না। তিনটি সেডই এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে করে সরকারি টাকা অপচয় হয়েছে।

এ ব্যাপারে ৬নং চক মিরপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বলেন- এবিষয়ে আমি অবগত আছি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। আশা করছি ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ দ্রুত এর একটি স্থায়ী সমাধান করবে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি

Sangbad Image

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: আপনার টিভি কি চোখের জন্য নিরাপদ