image

মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন প্রশাসন গড়ে তোলার অঙ্গীকার জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে রূপকল্প বা পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন, তা বাস্তবায়নে তিনি এখন পুরোদমে কাজ শুরু করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কাজের ধরনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) মতো তিনি প্রতিটি বিষয় অত্যন্ত নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন এবং সে অনুযায়ী কাজ আদায় করে নিচ্ছেন। এটি বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে এবং আমাদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।

শুক্রবার সকালে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ সব কথা বলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে এটিই ছিল তার প্রথম সফর। এর আগে সার্কিট হাউসে পৌঁছালে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

বিগত দেড় দশকের শাসনের সমালোচনা করে ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে জনপ্রশাসনকে নজিরবিহীনভাবে দলীয়করণ করা হয়েছে। এর ফলে প্রশাসন তার চিরচেনা নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব হারিয়ে ফেলেছে। দেশের প্রতিটি স্তরে যে ধস নেমেছে, প্রশাসনও তার বাইরে নয়। তবে বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী একটি দক্ষ, মেধাভিত্তিক ও নিরপেক্ষ প্রশাসন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।

সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তারা জনগণের ওপর কর্তৃত্ব করার জন্য নয়, বরং সেবক হিসেবে কাজ করবেন।

রাজনীতি ও জনগণের ম্যান্ডেট প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের আগে ও পরের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয়েছে, তাই জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতাও অনেক বেশি। যে ইশতেহার ও অঙ্গীকার নিয়ে আমরা জনগণের কাছে গিয়েছি, তা বাস্তবায়ন করাই এখন আমাদের পবিত্র দায়িত্ব। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত এবং মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে শুধু দলগত চিন্তা নয়, বরং জাতীয় ঐক্যই মূল লক্ষ্য। সকল রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়াই বর্তমান প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবুসহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি