চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাজারে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে নিহত জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমানের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
রোববার (১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে এই আলটিমেটাম দেওয়া হয়।
হাসাদহ বাজারের সংঘর্ষে নিহত হাফিজুর রহমান ঢাকা জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী ছিলেন। তার মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে বিকেল ৩টায় সুটিয়া গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে দাফন করা হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রোববার বেলা ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলা জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক আইল্যান্ডের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা নিহত হাফিজুর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। তারা বলেন, পুলিশকে হত্যাকারীদের নাম-ঠিকানা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার না করা হলে জীবননগরে ‘‘আগুন জ্বলবে’’ বলে হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
বিক্ষোভকালে জামায়াতের কর্মীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান। এ সময় প্রায় ১০ মিনিট শহরের সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকে।
জীবননগর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা সাজেদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা মাজলিসুল মুফাসসিরিন পরিষদের সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান ও জীবননগর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর সাখাওয়াত হোসেন।
উল্লেখ্য, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাজারে বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জামায়াত নেতার সহোদর হাফিজুর রহমান (৫৫) নিহত হয়।
সারাদেশ: সাটুরিয়ায় ৪০ খামারির মাঝে ভেড়া বিতরণ