আসন্ন পহেলা বৈশাখের মধ্যেই বহুল প্রতীক্ষিত “কৃষক কার্ড” কার্যক্রম চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৯টি উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রকল্প) এই কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে এ সেবা সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কৃষক কার্ড সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন-উর রশীদ সাংবাদিকদের এ সব তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পাইলট প্রকল্প শুরু করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।
কৃষক কার্ডের সুবিধা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, এই কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। অনেকটা ফ্যামিলি কার্ডের আদলে এটি পরিচালিত হবে। এর মূল লক্ষ্য হলো কৃষি উৎপাদন, ভোক্তা, কৃষিজমি এবং বিভিন্ন ফসলের জাত সংক্রান্ত তথ্যকে একটি সুশৃঙ্খল ডাটাবেজের আওতায় নিয়ে আসা। এর ফলে সরকারের কাছে কৃষি খাতের সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য থাকবে এবং প্রকৃত কৃষকরা সহজেই সরকারি নানা সহায়তা পাবেন।
কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা বিনামূল্যে সার বা বীজ পাবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, এ বিষয়টি নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। তবে বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের এই সুবিধা দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
প্রকৃত কৃষক চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া নিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারা সরাসরি কৃষিকাজ বা উৎপাদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদেরকেই এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। মূলত প্রকৃত ও সক্রিয় কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য তালিকা তৈরি করাই সরকারের এ উদ্যোগের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
জাতীয়: ডিএমপির ৭ এডিসি পদে বড় রদবদল
আন্তর্জাতিক: নেপালে নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, ফলাফলের অপেক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য: তেলের দাম ছাড়াতে পারে ১৫০ ডলার, বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা