image

কুষ্টিয়ায় বালুঘাটে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

জেলা বার্তা পরিবেশক, কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় এক বিএনপি কর্মীর বালুঘাটে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে।

বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের শিলাইদহ বালুঘাটে এ ঘটনা ঘটে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপি কর্মী ওসমান কাজী শিলাইদহ ইউনিয়নের কসবা গ্রামের জাবেদ কাজীর ছেলে। এছাড়া ভাড়াটিয়া বালু ব্যবসায়ী তোফাজ্জেল সরদার (রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার বাসিন্দা) জানান, তার প্রায় ৯০০ ফুট প্লাস্টিকের পাইপ ভাঙচুর করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকা।

অভিযুক্ত আশরাফ প্রামাণিক (৪৫) শিলাইদহ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং কসবা গ্রামের আফাজ উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে। তিনি ভাঙচুরের ঘটনা স্বীকার করলেও লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওসমান কাজীর সঙ্গে আশরাফ প্রামাণিকের জমিজমা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং অন্তত পাঁচটি মামলা থানায় নথিভুক্ত রয়েছে। বিরোধ মীমাংসায় বুধবার সকাল ৮টায় সালিশ বৈঠকের কথা থাকলেও তার আগেই হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।

বালু ব্যবসায়ী তোফাজ্জেল সরদার বলেন, “আমি প্রায় সাত বছর ধরে এখানে বালু আনলোডের ব্যবসা করছি। আমার কারও সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই। ওসমান কাজীর সঙ্গে আশরাফের বিরোধের জেরে আমার পাইপ ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”

ওসমান কাজী দাবি করেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে সকালে অর্ধশতাধিক লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাট করে।

অভিযুক্ত আশরাফ প্রামাণিক বলেন, “ওসমান কাজী আমার জমি দখল করে বালুর ব্যবসা করছে। সালিশে সমাধান হয়নি। তাই জমিতে থাকা ঘর ও পাইপ ভেঙে দেওয়া হয়েছে।”

কুমারখালী থানার উপপরিদর্শক সোহাগ শিকদার জানান, পূর্ববিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি