ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা ছুরিকাঘাতে নিহতের ঘটনায় পাগলপ্রায় তার স্বামী ইমতিয়াজ পারভেজ। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে ইফতারের আগে ইবির থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে শিক্ষিকার রক্তাক্ত নিথর দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে। যেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, জরুরি বিভাগের পাশে শিক্ষকের মরদেহ ট্রলিতে রাখা আছে। আশপাশে স্বজনেরা কান্না করছেন।
স্ত্রী নিহতের খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে অচেতন হয়ে পড়েন স্বামী ইমতিয়াজ। তাকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দিয়ে কিছুক্ষণ হাসপাতালেই রাখা হয়। এক ঘণ্টা পর তাকে বাড়িতে নেওয়া হয়।
ইমতিয়াজ পারভেজকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন স্বজনেরা। তিনি কান্না করতে করতে মূর্ছা যাচ্ছিলেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারছিলেন না।
নিহত আসমা সাদিয়ার স্বামী ইমতিয়াজ পারভেজ কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইংরেজি বিষয়ের ইনস্ট্রাক্টর। কুষ্টিয়া শহরের কোর্টপাড়া এলাকায় তাদের বাসা। ইমতিয়াজের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া সদরের বংশীতলা গ্রামে।
আসমা সাদিয়ার বাবার বাড়ি দৌলতপুর উপজেলায়। তাদের সংসারে তাইবা, তাবাসসুম, সাজিদ ও আয়েশা নামে চার ছেলেমেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ের বয়স ৯ বছর। ছোট মেয়ের বয়স মাত্র ১ বছর।