২৭ কোটি ৭৪ লাখ ৩ হাজার ১০০ টাকার কাজ বন্ধ করে ঠিকাদার উধাও হওয়ায় সড়কটি বাস্তবায়ন নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। হাওরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা মূলত এক ফসলের ওপর নির্ভরশীল। সেই বোরো ধান ঘরে তুলতে সময়মতো যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা না গেলে পুরো মৌসুমই ঝুঁকির মুখে পড়ে। এমন বাস্তবতায় ডুবন্ত সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয় নেত্রকোনা (এলজিইডি)। কিন্তু নানা কারণে শুরু থেকে কাজের ধীরগতিতে এখন দুশ্চিন্তায় স্থানীয়রা।
নেত্রকোনার ডিঙাপোতা হাওর এলাকার তেতুলিয়া থেকে গাগলাজুর বাজার পর্যন্ত প্রায় সাড়ে সাত কিলোমিটার ডুবন্ত সড়ক পাকাকরণ কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় কুমিল্লাভিত্তিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএস হাসান বিল্ডার্স। কার্যাদেশ অনুযায়ী ২০২৪ সালের ৩ জুলাই কাজ শুরু হয়ে ২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু নির্ধারিত কাজ শেষ না করে কয়েক দফায় বাড়ানো হয় সময় । তবুও কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়।
বর্তমানে সড়কের বিভিন্ন অংশে একপাশ কেটে রাখা হয়েছে, কোথাও কাদাবালু ফেলে প্রশস্তকরণের কাজ অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। এভাবে অরক্ষিত অবস্থায় কাজ বন্ধ করে উধাও রয়েছেন ঠিকাদার ও সংস্লিষ্টরা। অসম্পূর্ণ সড়ক দিয়ে প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ইজিবাইক ও রিকশা। ধুলাবালুতে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারীরা। ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনাও।
হাওরবাসীর অভিযোগ, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই সড়কটির কাজ সম্পন্ন না হলে বোরো ধান ঘরে তোলাও কঠিন হয়ে পড়বে। এতে একমাত্র ফসল হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদুজ্জামান জানিয়েছেন, ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ সম্পন্নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্ষার আগে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
অর্থ-বাণিজ্য: আমদানি-রপ্তানিতে কঠোর নজরদারির নির্দেশ গভর্নরের