image
সাটুরিয়া উপজেলা প্রশাসন ভবনের সামনে ডিভাইন ট্রি উদ্বোধন করেন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। ছবি : সংবাদ

বিএনপির নেতাকর্মীরা বিচার-সালিশ করতে পারবেন না : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী

প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, বিএনপির কোনো নেতাকর্মী গ্রাম্য বিচার-সালিশ করতে পারবেন না। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ সরকারি কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে অহেতুক বসে থেকে সরকারি কাজে বাধা দিতে পারবেন না। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, কোনো নেতাকর্মীর কারণে দলের বদনাম হলে তাকে কোনোমতেই ছাড় দেওয়া হবে না।

রোববার (৮ মার্চ) বিকেলে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ইউএনও মো. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে এ সময় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন,‘‘আপনারা জনগণের চাকর। কোনো সরকারি দপ্তরের প্রধানের কাছ থেকে যেন সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হন। সাধারণ মানুষের অসুবিধা হয় এমন কোনো কাজ করবেন না। সব সরকারি দপ্তরকে ঘুষমুক্ত রাখতে হবে। বর্তমান সরকারের মূল নীতি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা।’’

মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে। সাধারণ মানুষ বিএনপিকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছেন। জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তিনি ১৮০ দিনের কর্মসূচি দিয়েছেন মন্ত্রী-এমপিদের।

তিনি সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত-পূজারিরা চলতি মাসেই আর্থিক সহায়তা পাবেন। এটি একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে হাতে নেওয়া হয়েছে, পর্যায়ক্রমে সব মসজিদে এ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

নিজের নির্বাচনী এলাকা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘‘সাটুরিয়ার মানুষ আমাকে ৬০টি ভোটকেন্দ্রে প্রথম করেছেন, কোনো কেন্দ্রে দ্বিতীয় করেনি। আমি সাটুরিয়াবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ।’’

তিনি সাটুরিয়ার উন্নয়নে একটি রোডম্যাপ তৈরির নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘‘আগে কী উন্নয়ন হয়েছে, তা আমার জানা দরকার নেই। আমি সাটুরিয়ার জন্য কী করতে পারলাম, সেটিই বড় কথা। তৃণমূল ও ওয়ার্ড থেকে উন্নয়নের চিত্র তুলে আনতে হবে। সেই রোডম্যাপ ধরেই সাটুরিয়ার উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা হবে।’’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ওসি মো. নজরুল ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া তাবাসসুম, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশিদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান মোল্লাহ, বিএনপির সভাপতি আবদুল কুদ্দুস খান মজলিশ মাখন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সরকার ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম ধলা প্রমুখ।

পরে মন্ত্রী ডিভাইন ট্রি ফাউন্ডেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও বৃক্ষরোপণ করেন এবং জিয়া পরিষদের ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি