image

পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ধ্বংস ৪ লাখ কাঁচা ইট

প্রতিনিধি, বাগেরহাট

বাগেরহাট জেলা সদরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ইটভাটায় অবশেষে খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানকারীরা বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে সদরের গোটাপাড়া, বাবুরহাট ও সাতগাছিয়া এলাকার ৭টি অবৈধ ইটভাটার প্রায় ৪ লাখ কাঁচা ইট ধ্বংস করে দেয়। তবে অভিযানের সময় কোনো ভাটা মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুক্ষাইটসহ আশপাশের এলাকায় শত শত অবৈধ ইটভাটা রয়েছে। কিন্তু অভিযানে মাত্র কয়েকটি ভাটায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ভাটাগুলোর কাঁচা ইট ভেঙে এবং পানিতে ভিজিয়ে নষ্ট করা হয়।

অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান, সহকারী পরিচালক দেলোয়ার হোসেন, বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শেখ মামুনুর রশীদসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানের সময় কোনো ইটভাটা মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। ফলে কাউকে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

অভিযোগ রয়েছে, বাগেরহাট জেলা সদরের গোটাপাড়া ও বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে শত শত অবৈধ ইটভাটায় জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে। অবৈধ ভাটাপ্রতি নির্ধারিত অঙ্কের অর্থ আদায় করে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরকে ম্যানেজ করে অসাধু ইট ব্যবসায়ীরা প্রতিবছর এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

পরিবেশ অধিদপ্তর বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান বলেন, “ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯)-এর ধারা ৬ লঙ্ঘন করে নিষিদ্ধ জ্বালানি কাঠ ব্যবহার এবং বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ধারা ১২ অমান্য করে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া এসব পাজা পদ্ধতির ইটভাটা পরিচালিত হচ্ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “অভিযানে ভাটাগুলোর কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

» সাপাহার সীমান্তে ১০ হাজার ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার

সম্প্রতি