সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে জাটকা সংরক্ষণ অভিযান ও অবৈধ চায়না কারেন্ট জাল নিষিদ্ধ করা উপলক্ষ্যে যমুনা নদীর কাজিপুর অংশের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে ১২ মার্চ সাড়ে ৩টা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর কাজিপুর যৌথ ভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৫৫০ মিটার বেরজাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এ সময়ে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দী উপজেলার কুতুবপুর এলাকার
বনবাসী হালদারের পুত্র শ্রী শুকনাল (৩২) ও তার ২ সহযোগীকে ৫ হাজার করে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অন্য একটি মামলায় সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার বরইতলী গ্রামের বাসী সাধুর পুত্র শ্রী মাধব (২৭) ও তার ২ সহযোগীকে ৫ হাজার করে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অবৈধ কারেন্ট জাল ও জিরো ম্যাট সাইজের মশারি জাল দিয়ে মাছ ধরায় তাদেরকে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ এর ৪ ও ৪ (ক) ধারায় সর্বমোট ৩০০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে আর অপরাধ না করার শর্তে মুচলেকা গ্রহণ করে তার পিতার জিম্মায় প্রদান করা হয়। মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাসান মাহমুদুল হক, নৌ-পুলিশের এস আই বিদ্যুৎ ও মৎস্য দপ্তরের কর্মচারীরা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে প্রায় ২০ কেজির মতো জাটকা মাছ এবং ১৫ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির জব্দ করা হয়। উক্ত মাছগুলো কাজিপুরের তিনটি এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করে। এছাড়া যমুনা নদীতে অভিযান চলাকালে নদীতে কারেন্ট জাল ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, জাটকা ইলিশ মাছ ধরা নিষেধ আরোপ করে সর্তক করে দেয়া হয়।