image
ছবিঃ সংগৃহীত

একক মাস হিসাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো ডিসেম্বরে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

একক মাস হিসাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার প্রবাসী আয় এসেছে বিদায়ী ডিসেম্বরে মাসে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে)। এর আগে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার প্রবাসী আয় এসেছিল মে মাসে। গতকাল রোববার এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ডিসেম্ব মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর প্রবাসী আয় এসেছে ৫৭ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩৫ কোটি ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ২২৯ কোটি ৩৯ লাখ ৪০ হজার ডলার। আর বাংলাদেশে ব্যবসারত বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

প্রবাসী আয় সংগ্রহকারী ব্যাংক সূত্র জানায়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে বিদেশে টাকা পাচার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে হুন্ডির চাহিদা কমে আসে। বিদেশে টাকা পাচার হওয়ার কারণে হুন্ডি কারবারীরা প্রবাসীদের কাছে থেকে বাড়তি দামে রেমিট্যান্সের ডলার সংগ্রহ করতো। এর ফলে প্রবাসীরা ব্যাংকের মাধ্যমে বৈধপথে রেমিট্যান্স না পাঠিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে পাঠাতো। এতে দেশে প্রবাসী আয় এলেও তা হুন্ডির মাধ্যমে আসতো, সরকারের খাতায় যোগ হতো না। হুন্ডির চাহিদা কমে আসায় প্রবাসীরা এখন ব্যাংকের মাধ্যমে বৈধপথে প্রবাসী আয় পাঠাচ্ছে। এর ফলে প্রবাসী আয় বাড়ছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে জুন-ডিসেম্বর ছয় মাসে প্রবাসী আয় এলো এক হাজার ৬২৬ কোটি ৩৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। আর আগের পুরো অর্থবছরে এসেছিল তিন হাজার ৩২ কোটি ৮৮ লাখ ১০ হাজার ডলার। এর আগে করোনা মহামারির সময়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে বেশি প্রবাসী আয় আসে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলার।

‘অর্থ-বাণিজ্য’ : আরও খবর

সম্প্রতি