image

শেয়ারবাজারে লেনদেন নামলো ৩০০ কোটির ঘরে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস গতকাল রোববার দেশের শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতনের পর দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবারও, (১২ জানুয়ারী ২০২৬) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমেছে। এরপরও প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক বেড়েছে।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৪০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৭৫টির। আর ৭৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

তবে লেনদেন কমে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমেছে। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। তবে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম কমার তালিকায় চলে আসে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমায় লেনদেনের একপর্যায়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ১৯ পয়েন্ট কমে যায়। তবে লেনদেনের শেষদিকে বড় মূলধনের বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ে। এতে দাম কমার তালিকা বড় হলেও প্রধান মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৪০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৭৫টির। আর ৭৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৭৫টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৮৭টির দাম কমেছে এবং ৪৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৩৪টি কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ৩৫টির দাম কমেছে এবং ১২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩১টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৫৩টির এবং ২১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে ৬টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৮টির দাম কমেছে এবং ২০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৯৪২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক দশমিক ৯৮ পয়েন্ট কমে ৯৯৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৮৯৭ পয়েন্টে উঠে এসেছে।

প্রধান মূল্যসূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৫২ কোটি ৪৯ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪১২ কোটি ২৮ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন কমেছে ৫৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে ৯ কার্যদিবসের মধ্যে ডিএসইতে সবচেয়ে কম লেনদেন হয়েছে।

এই লেনদেনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিটি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ২৬ লাখ টাকার। ১২ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ফাইন ফুড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স, চাটার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, লাভেলো আইসক্রিম এবং সায়হাম কটন।

অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ২০ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৪৫ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৩টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৮৩টির এবং ১৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪ কোটি ৩ লাখ টাকা।

‘অর্থ-বাণিজ্য’ : আরও খবর

সম্প্রতি