image
ছবিঃ সংগৃহীত

ফ্রিল্যান্সারদের স্বীকৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আইডি কার্ড দেবে সরকার

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং খাতকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ও ফ্রিল্যান্সারদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে আজ ‘ন্যাশনাল ফ্রিল্যান্সার রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড আইডি কার্ড ম্যানেজমেন্ট প্ল্যাটফর্ম’ চালু করছে সরকার।

নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং সেবা, ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনাসহ অনেক সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন

সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত প্ল্যাটফর্মটিতে নিবন্ধন করে ফ্রিল্যান্সাররা বিনামূল্যে আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিতে ইতোমধ্যে প্ল্যাটফর্মটির দুর্বলতা মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি অধিদপ্তর।

নতুন এই আইডি কার্ডের মাধ্যমে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং সেবা, ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সহজেই গ্রহণ করতে পারবেন। প্ল্যাটফর্মটি একটি জাতীয় তথ্য ভা-ার হিসেবেও কাজ করবে, যেখানে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা, দক্ষতা ও কাজের ধরন সংরক্ষিত থাকবে, যা নীতিনির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

নতুন প্ল্যাটফর্মটির কারিগরি দিক ও পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সোমবার, (১২ জানুয়ারী ২০২৬) জানান- এটা ডিজিটাল কার্ড, কোনো প্লাস্টিক কার্ড নয়। কার্ডটি বিনামূল্যে দেয়া হবে। প্ল্যাটফর্মটি তৈরির পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ করবেন আইসিটি বিভাগের প্রকৌশলীরা। এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংযোগ স্থাপন করা হবে।

ফ্রিল্যান্সারদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে এই নতুন ব্যবস্থায় বেশকিছু মৌলিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ বিষয়ে ফ্রিল্যান্সার, আপওয়ার্ক বাংলাদেশ গ্রুপের প্রশাসক কাজী মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আগে ফ্রিল্যান্সার কার্ড বেসরকারি সংগঠনের মাধ্যমে দেয়া হতো, যেখানে তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকি ছিল। পাশাপাশি ব্যাংকিং সুবিধা পেতেও বেশ ঝামেলায় পড়তে হতো। নতুন প্ল্যাটফর্মটিতে কার্ড দেবে আইসিটি বিভাগ। ফলে তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।’

ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড পাওয়ার খরচ ও যোগ্যতার বিষয়ে কাজী মামুন আরও বলেন, ‘আগে এই কার্ড নিতে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হতো, কিন্তু এখন এটা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেয়া হবে। নতুন ফ্রিল্যান্সারদের উৎসাহ দিতে আমরা ইতোমধ্যে ন্যূনতম ৫০-১০০ ডলার আয় করা ফ্রিল্যান্সারদের আবেদন করার সুযোগ চালুর জন্য সুপারিশ করেছি। এতে করে নতুন ফ্রিল্যান্সাররা বৈধ পথে নিজেদের আয়ের অর্থ দেশে আনতে আগ্রহী হবেন।’

‘অর্থ-বাণিজ্য’ : আরও খবর

সম্প্রতি