image
ছবিঃ সংগৃহীত

ফের দরপতন শেয়ারবাজারে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

টানা তিন কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর বুধবার, (২১ জানুয়ারী ২০২৬) দেশের শেয়ারবাজারে ফের দরপতন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দাম কমার তালিকায় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান থাকার পাশাপাশি সবগুলো মূল্যসূচক কমেছে।

দিন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলিয়ে দাম বৃদ্ধিতে নাম লিখিয়েছে ১৩৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৯২টির। আর ৬১টির অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৬৩টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১১৩টির দাম কমেছে এবং ৩১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে

সেই সঙ্গে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে।

এদিন প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশির ভাগ কোম্পানির দাম বাড়ার মাধ্যমে। পাশাপাশি শুরুতে মূল্যসূচকও বাড়তে দেখা যায়। তবে প্রথম দুই ঘণ্টার লেনদেন পার হওয়ার পর দাম কমার তালিকা বড় হয়ে যায়, যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। ফলে দাম কমার তালিকা লম্বা হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক কমেই দিনের লেনদেন শেষ হয়।

দিন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলিয়ে দাম বৃদ্ধিতে নাম লিখিয়েছে ১৩৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৯২টির। আর ৬১টির অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৬৩টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১১৩টির দাম কমেছে এবং ৩১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৩২টি কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ৩৬টির কমেছে এবং ১০টির অপরিবর্তিত রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৪১টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ৪৩টির এবং ২০টির অপরিবর্তিত রয়েছে। আর তালিকাভুক্ত মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে দুটির দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৯টির কমেছে এবং ১৩টির অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে করে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় তিন পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ১০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক তিন পয়েন্ট কমে এক হাজার ২৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ছয় পয়েন্ট কমে এক হাজার ৯৬৪ পয়েন্টে নেমে গেছে।

সবকটি মূল্যসূচক কমার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা কমেছে। লেনদেন হয়েছে ৬০৫ কোটি ৬০ টাকা। আগের কার্যদিবসে তা ছিল ৬৬৯ কোটি ৮৫ টাকা। এ হিসেবে লেনদেন কমেছে ৬৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

এই লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার। কোম্পানিটির ২৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকার। ১৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ।

এছাড়া, ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, চাটার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো ফার্মা, খান ব্রদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ও সামিট এলায়েন্স পোর্ট।

দেশের অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ছয় পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৯৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৬টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ৯১টির এবং ২১টির অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

‘অর্থ-বাণিজ্য’ : আরও খবর

সম্প্রতি