শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন পাওয়া ঘোষিত লভ্যাংশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিতরণ না করায় গত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) লেনদেনের জন্য ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে পাঠানো হয়েছিলো খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি, এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেড-প্রাণকে।
দেশের দুই পুঁজিবাজার- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ওইদিন জেড ক্যাটাগরিতে কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এক কার্যদিবস জেড ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়ার পরই লভ্যাংশ বিতরণ সম্পন্ন করে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পুনরায় ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ফিরেছে কোম্পানিটি।
কোম্পানির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবারই কোম্পানিটি তাদের ঘোষিত লভ্যাংশ বিতরণ সম্পন্ন করেছে। তবে, বুধবার পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকায় বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ফিরেছে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন।
২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের ঘোষণা দিয়েছিলো প্রাণ। এই হিসেবে কোম্পানিটিকে ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করতে হয়েছে। আলোচিত অর্থবছরে কোম্পানির কর পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ১ লাখ টাকা। অর্থাৎ নিট মুনাফার প্রায় ৬৪ শতাংশ কোম্পানিটি লভ্যাংশ হিসেবে বন্টন করেছে। ২০২৪ সালের ২০ বিএসইসির জারি করা নির্দেশনার শর্ত অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের বিতরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে কোম্পানিটিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়। তবে ওই দিনই কোম্পানিটির ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের বিতরণ করা হয়। ফলে কোম্পানিটিকে আজ ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করেছে ডিএসই ও সিএসই।
‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হলেও ক্যাটাগরি পরিবর্তনের কারণে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কোম্পানিটিকে ঋণ সুবিধা দিতে ব্রোকার হাউজ এবং মার্চেন্ট ব্যাংককে নিষেধ করেছে ডিএসই ও সিএসই, যা বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে।