image
ছবিঃ সংগৃহীত

শেয়ারবাজারে সাপ্তাহিক লেনদেন বেড়েছে ১৫ শতাংশ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

দেশের পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে সূচক ও লেনদেনে ঊর্ধ্বমুখিতা দেখা গেছে। আলোচ্য সপ্তাহে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়েছে। পাশাপাশি এক্সচেঞ্জটির দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে ১৫ দশমিক ৩২ শতাংশ।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইএক্স সূচক আগের সপ্তাহের তুলনায় ৮০ দশমিক শূন্য ৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৫ হাজার ১৫৪ পয়েন্ট। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ সপ্তাহের ব্যবধানে ১৫ দশমিক ৩১ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১ হাজার ৯৮৭ পয়েন্ট

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইএক্স সূচক আগের সপ্তাহের তুলনায় ৮০ দশমিক শূন্য ৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৫ হাজার ১৫৪ পয়েন্ট। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ সপ্তাহের ব্যবধানে ১৫ দশমিক ৩১ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১ হাজার ৯৮৭ পয়েন্ট। ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস গত সপ্তাহে ৩৭ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১ হাজার ৩৪ পয়েন্ট।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে মোট ৩৮৯টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৩১টির, কমেছে ১৪১টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ১৭টির। আর লেনদেন হয়নি ২৪টির। গত সপ্তাহে সূচকের উত্থানে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে ইসলামী ব্যাংক, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও রেনাটার শেয়ার।

ডিএসইতে গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে দৈনিক গড়ে ৬৬৮ কোটি ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, আগের সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে যা ছিল ৫৭৯ কোটি ৪২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। সে হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে এক্সচেঞ্জটির দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে ১৫ দশমিক ৩২ শতাংশ।

খাতভিত্তিক লেনদেনে গত সপ্তাহে ব্যাংক খাতের শেয়ারের আধিপত্য ছিল। লেনদেন চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ২০ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষ অবস্থান করছে ব্যাংক খাত। ১৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। তৃতীয় অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ। সাধারণ বিমা খাত ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার চতুর্থ অবস্থানে ছিল। আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা প্রকৌশল খাতের দখলে ছিল মোট লেনদেনের ৮ দশমিক ১১ শতাংশ।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে ছয়টি খাত বাদে বাকি সব খাতের শেয়ারেই ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে প্রকৌশল খাতে। এছাড়া ব্যাংক খাতে ৩ দশমিক ৭৯ ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৩ দশমিক ৪০ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন ছিল। অন্যদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে সাধারণ বিমা খাতে। এছাড়া জীবন বিমা খাতে ১ দশমিক ৯৭ ও টেলিযোগাযোগ খাতে ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন ছিল।

দেশের আরেক পুঁজিবাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই গত সপ্তাহে ১ দশমিক ৮১ শতাংশ বেড়ে ১৪ হাজার ৭৩১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৪ হাজার ৪৬৯ পয়েন্ট। সিএসসিএক্স সূচকটি সপ্তাহের ব্যবধানে ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়ে ৯ হাজার ১২২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৮ হাজার ৯৬৪ পয়েন্ট।

সিএসইতে গত সপ্তাহে ২৯ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৪৪ কোটি ২২ লাখ টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৬০টির, কমেছে ৮৭টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ২২টির।

‘অর্থ-বাণিজ্য’ : আরও খবর

সম্প্রতি