image
সংগৃহীত ছবি

জানুয়ারিতেও বাড়ল মূল্যস্ফীতি

ভোটের আগেই বাজারে হাঁফিয়ে উঠেছেন ভোটাররা

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

টানা তিন মাস ধরে বাজারের চাপে মধ্যবিত্তের হাঁসফাঁস অবস্থা। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েই চলেছে। গেল নভেম্বর আর ডিসেম্বরের পর নতুন বছরের জানুয়ারিতেও বেড়েছে মূল্যস্ফীতি। যাতে নিম্ন আয়ের মানুষের অবস্থা কাহিল হয়ে পড়েছে।

অর্থনীতির জরুরি শব্দ হলেও মূল্যস্ফীতি ক্রেতাদের জন্য বেদনাদায়ক। যা একধরনের করের মতো। প্রতি মাসে আয়ে সবই খরচ হয়ে যায় সংসার চালাতে। তবে জিনিসপত্রের দাম কোনো নোটিশ ছাড়া বাড়লেও আয় বাড়ে না।ফলে ধারদেনা করে সংসার চালাতে হয়। বাধ্য হয়ে খাবার, কাপড়চোপড়, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে কাটছাঁট করতে হয়। মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বা আয় কমে গেলে মানুষের কষ্ট বাড়তে থাকে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানুয়ারি মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্রে প্রকাশ করেছে। যেখানে মানুষের কেনার সক্ষমতা কমে যাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে। সরকারি সংস্থাটির হিসাবে, চলতি বছরের শুরুর মাস জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে। যা ডিসেম্বর ও নভেম্বরের চেয়ে বেশি।

বিবিএস তথ্য দিয়েছে, গেল নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। পরের মাস ডিসেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশে দাঁড়ায়। মূল্যস্ফীতির ধারাবাহিক বৃদ্ধি মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ। ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনের মধ্যেই মূল্যস্ফীতির যে দৌড় দেখা যাচ্ছে তাতে নির্বাচনের পর নতুন সরকার বড় চাপে পড়তে পারে। বিশেষত সাড়ে আট শতাংশের বেশি মূল্যস্ফীতি উপহার পাবে।যা কমিয়ে আনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

‘অর্থ-বাণিজ্য’ : আরও খবর

» উন্নয়ন বলতে রাস্তাঘাট ও সেতু নির্মাণই বোঝেন অধিকাংশ ভোটার: সিপিডি

সম্প্রতি