image

ভুল হলে ক্ষমা করবেন, দয়া করে আমাকে ভুলে যাবেন: বাণিজ্য উপদেষ্টা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

নতুন সরকার গঠনের পরপরই পেশাগত জীবনে ফিরে যাবেন জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, ‘আমি আগে কখনো কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ছিলাম না। আবারও সেই নিরিবিলি জীবনে ফিরে যেতে চাই। আমার ভুল-ত্রুটি থাকতেই পারে, সেজন্য ক্ষমা করবেন। তবে একটি শেষ অনুরোধ, আমাকে দয়া করে ভুলে যাবেন।’

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ চুক্তি সই নিয়ে মঙ্গলবার,(১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ছোট খামারি ও বড় উদ্যোক্তা উভয়পক্ষকেই অন্তর্ভুক্ত রেখে সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক নীতির পথে এগিয়েছে। এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোনো। আশা করি, ভবিষ্যতেও তার উত্তরসূরিরা একই ধারাবাহিকতায় কাজ করবেন।’

শেখ বশিরউদ্দীন জানান, বিভিন্ন প্রশ্ন ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে সাংবাদিকরা তাকে জবাবদিহির মধ্যে রেখেছেন। এতে তার কাজের গতি যেমন বেড়েছে, তেমন যেসব জায়গায় ভুল ছিল, সেগুলো সংশোধনের সুযোগও তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সরকারে আসার সময় আমার তেমন কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। তবে চেষ্টার কোনো কমতি রাখিনি। আল্লাহর রহমতে সৎভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। কারও প্রতি বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতি করিনি। সম্মিলিতভাবে আল্লাহতাআলা বরকত দিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতায় দায়িত্ব পালন করতে পেরেছি। কোনো বিষয়ে যখনই পরামর্শ বা নির্দেশনার প্রয়োজন হয়েছে, তখনই তিনি আন্তরিকতা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। যত কিছু সম্ভব হয়েছে আমি মনে করি প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনায়। আমরা যখনই কোনো বিষয়ে উনার নির্দেশনা বা গাইডেন্স চেয়েছি উনি সব সময় অসম্ভব দরদ এবং বুদ্ধিমত্তা দিয়ে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সেগুলো প্রতিপালনের চেষ্টা করেছি।’

শেখ বশিরউদ্দীন আরও বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ্ নতুন সরকার গঠন হওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে আমি আমার কর্মজীবনে ফিরে যাবো। আশা করি, আপনারা আমাকে ভুলে যাবেন এবং মাফ করে দেবেন। আমি ভুলে থাকতে চাই। আপনাদের মাধ্যমে একটি স্বনির্বন্ধ অনুরোধ করতে চাই, শেষ অনুরোধ, দয়া করে আমাকে ভুলে যাবেন।’

‘অর্থ-বাণিজ্য’ : আরও খবর

সম্প্রতি