মালিবাগে টিসিবির ট্রাকের সামনে মানুষের দীর্ঘ সারি। বাজারের চেয়ে কমদামে বিক্রি হচ্ছে কয়েকটি নিত্যপণ্য। সেখানে অনেকের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছেন ৫০ বছর বয়সী জমিলা বেগম। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর যখন দেখলেন পণ্য প্রায় শেষের পথে। তখন শূণ্য হাতে ফিরতে হবে কিনা এই আশঙ্কায় ঝাড়ছিলেন ক্ষোভ, বললেন, ‘আমরা টিসিবির মাল চাই না, দাম কমান... হস্তা দামে কিনমু।”
শুরু হয়েছে রোজার মাস। এ উপলক্ষে টিসিবি নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে: চিনি ৮০ টাকা কেজি, মশুর ডাল ৭০ টাকা কেজি, ভোজ্য তেল ১১৫ টাকা লিটার, ছোলা ৬০ টাকা কেজি, খেজুর ১৬০ টাকা কেজি।
রোজা শুরুর সাথে সাথে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়েছে অনেক। এতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তদের। অনেকে তাই বাধ্য হয়েই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে টিসিবির ট্রাক থেকে সংগ্রহ করছেন নিত্যপন্য।
বাজার দর থেকে কিছুটা কম হওয়ায় সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন টিসিবির ট্রাকের সামনে। কিন্তু অব্যবস্থাপনায় পন্য কিনতে না পেরে ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে তাদের।
সরেজমিনে কয়েকটি এলাকার টিসিবির ট্রাকে পন্য বিক্রির সময় দেখা যায়, দীর্ঘ দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পণ্য পায়নি অনেকে। লাইনে দাঁড়ানো ক্রেতাদের অভিযোগ, পন্য বিক্রিতে চলছে চরম অব্যবস্থাপনা। প্রভাব খাটিয়ে কেউ কেউ তিনবার করে পণ্য সংগ্রহ করছেন এমন অভিযোগও পাওয় গেছে। অথচ লাইনে থাকা অনেকে একবারও সুযোগ পাচ্ছেন না।
অপরাধ ও দুর্নীতি: সড়কে পরিবহনের চাঁদা আসে জনগণের পকেট থেকে
অর্থ-বাণিজ্য: ‘দাম কমান, আমরা হস্তা দামে পণ্য কিনমু’
জাতীয়: কেন বেড়েছিল মব ভায়োলেন্স
আন্তর্জাতিক: গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্পের
অপরাধ ও দুর্নীতি: চাঁদাবাজি না সমঝোতা, আইনের চোখে বিতর্কটা কোথায়