image
প্রতীকী ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ

দেশের বিমানবন্দরগুলোতে পচে যাচ্ছে পণ্য

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে। আকাশসীমা সীমিত হওয়া আর একের পর এক মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট স্থগিতের কারণে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে পড়ে থাকছে পচনশীল পণ্য। সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় তাজা ফল, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যা রপ্তানিকারকদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রপ্তানি খাত এমনিতেই টানা কয়েক মাস ধরে চাপের মুখে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে চাহিদা কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি ছিল নাজুক। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক অনিশ্চয়তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এয়ার কার্গো ফ্লাইট স্থগিত থাকায় নতুন চালান প্রস্তুতও বন্ধ রাখতে হচ্ছে। ফলে ক্ষতির পরিমাণ প্রতিদিন বাড়ছে।

চট্টগ্রামভিত্তিক এক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান গেল শনিবার সকালে প্রায় এক টন তাজা সবজি দুবাই পাঠানোর জন্য শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেয়। কিন্তু নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় চালানটি আর পাঠানো সম্ভব হয়নি। সংরক্ষণব্যবস্থা সীমিত থাকায় পণ্য নষ্ট হয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ ডলারের ক্ষতি হয়েছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির মালিক। তার ভাষ্য, চট্টগ্রাম থেকে প্রতিদিন আকাশপথে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তাজা কৃষিপণ্য মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি হয়। ফ্লাইট অনিশ্চয়তার কারণে গত দুই দিন নতুন পণ্য প্রস্তুতও বন্ধ রাখা হয়েছে।

রপ্তানিকারকদের মতে, চট্টগ্রামসহ দেশের বিমানবন্দরগুলোতে সবজি রপ্তানি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। বড় শিল্পগ্রুপগুলোর প্রতিনিধিরাও সতর্ক করে বলেছেন, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে শুধু কৃষিপণ্য নয়, মধ্যপ্রাচ্য হয়ে ইউরোপে যাওয়া পণ্যের ট্রানজিট ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

খাতসংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেশের রপ্তানি খাত আরেক দফা বড় ধাক্কার মুখে পড়তে পারে।

‘অর্থ-বাণিজ্য’ : আরও খবর

সম্প্রতি