image

আজ থেকে নতুন পদ্ধতিতে জ্বালানি বিক্রি শুরু

মোটরসাইকেল পাবে ২ লিটার, প্রাইভেটকার ১০, ডিজেলও রেশনিং

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

দেশে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আজ রোববার (৮ মার্চ) থেকে নতুন পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। নির্দিষ্ট যানবাহনের ধরন অনুযায়ী দৈনিক তেলের পরিমাণ নির্ধারণ করে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির (কার) ক্ষেত্রে এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লিটার। এছাড়া মোটরগাড়ি, জিপ ও মাইক্রোবাসের জন্য দৈনিক ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

পরিবহন খাতের জন্য ডিজেল সরবরাহেও রেশনিং ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। স্থানীয় রুটের বাস বা পিকআপ ভ্যান প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। অন্যদিকে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনারবাহী ট্রাকের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ইতোমধ্যে ফিলিং স্টেশনগুলোকে নতুন ব্যবস্থার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকার বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার মধ্যে আগাম সতর্কতা হিসেবে এই রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নে আজ থেকে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কথাও জানিয়েছেন জ্বালানি মন্ত্রী। ফিলিং স্টেশনগুলো নির্ধারিত সীমার বেশি তেল বিক্রি করছে কি না এবং কোনো ধরনের অনিয়ম হচ্ছে কি না—তা নজরদারিতে রাখা হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে আপাতত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আগামী ৯ মার্চ আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত মজুদ ঠেকাতেই এই রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

‘অর্থ-বাণিজ্য’ : আরও খবর

সম্প্রতি