alt

রেকর্ড গড়তে পারে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক উৎপাদনে, আশাবাদী আইজিসি

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক : শনিবার, ২৭ মে ২০২৩

নানা জল্পনা কল্পনা ছাড়িয়ে এবার রেকর্ড পরিমান খাদ্যশস্য উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২৩-২৪ বিপণন মৌসুমে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক উৎপাদন ইতিহাসের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল গ্রেইন কাউন্সিল (আইজিসি)। সম্প্রতি মাসভিত্তিক এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি এ তথ্য জানায়।

খাদ্যশস্যের বাজার শীর্ষক এ প্রতিবেদনে আইজিসি নতুন করে খাদ্যশস্যের উৎপাদন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে। আগের মাসের পূর্বাভাসের তুলনায় উৎপাদন আরও ৩০ লাখ টন বাড়বে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। মোট উৎপাদনের পরিমাণ ধরা হয়েছে ২২৯ কোটি ৪০ লাখ টন, যা রেকর্ড সর্বোচ্চ। ২০২২-২৩ মৌসুমে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ২২৯ কোটি ১০ লাখ টন।

সরবরাহের আকার বাড়লেও মৌসুমের শেষ নাগাদ খাদ্যশস্যের মজুদ সংকুচিত হয়ে পড়তে পারে। মজুদের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৫৮ কোটি টনে। আইজিসির পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মৌসুমে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক ব্যবহার সরবরাহের তুলনায় বাড়বে। আর এ কারণেই মৌসুমের শেষে মজুদে টান পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ মৌসুমে মোট খাদ্যশস্যের ব্যবহারের পরিমাণ পৌঁছাতে পারে ২৩০ কোটি ২০ লাখ টনে।

২০২৩-২৪ মৌসুমে সয়াবিন উৎপাদন ৯ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে আইজিসি। মোট উৎপাদনের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৪০ কোটি ৩০ লাখ টন। তেলবীজটির বৈশ্বিক বাণিজ্য দাঁড়াতে পারে ১৭ কোটি ৩০ লাখ টনে।

ব্রাজিলে উৎপাদন বেড়ে যাওয়ার প্রভাবে এ মৌসুমে ভুট্টা উৎপাদন হবে পারে ১২১ কোটি ৭০ লাখ টন। এপ্রিলের তুলনায় চলতি মাসে শস্যটির উৎপাদন পূর্বাভাস ২০ লাখ টন বাড়ানো হয়েছে। এর বাণিজ্যের পরিমাণ ধরা হয়েছে ১৭ কোটি ৩০ লাখ টন।

আইজিসি খাদ্যশস্য ও তেলবীজের মূল্যসূচক ৭ শতাংশ কমিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মূল্যসূচকটি ২৩ মাসের সর্বনিম্নে নেমে এলো। মূলত দাম কমার কারণে শস্য ক্রয়ের প্রবণতা বাড়ছে, যা মজুদকে নিম্নমুখী করে তুলছে।

সংস্থাটির দেয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মৌসুমে গম উৎপাদন হতে পারে ৭৮ কোটি ৩০ লাখ টন। গত মৌসুমের তুলনায় উৎপাদন ব্যাপক কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চাহিদার দিক থেকে ২০২৩-২৪ মৌসুমে শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশগুলো থেকে গমের বৈশ্বিক সরবরাহ রেকর্ড সর্বনিম্নে নামার আশঙ্কা রয়েছে। ২০০৭-০৮ মৌসুমের পর এবারই প্রথম সরবরাহ এতটা নিম্নমুখী হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। ফলে আরও বাড়তে পারে শস্যটির বাজারদর। শস্যটির বাণিজ্য বেড়ে ১৯ কোটি ৪০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। ব্যবহারও কিছুটা বেড়ে সাড়ে ৭৯ লাখ টনে পৌঁছার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ২০২৩-২৪ মৌসুমে বিশ্বজুড়ে ৫২ কোটি ১০ লাখ টন চাল উৎপাদনের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আগের মাসের মতোই এটির পূর্বাভাস অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২০২২-২৩ মৌসুমের তুলনায় উৎপাদন লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়বে। বাণিজ্য পূর্বাভাসও ৫ কোটি ৪০ লাখ টনে অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে শস্যটির ব্যবহার ১০ লাখ টন বেড়ে ৫২ কোটি টনে উন্নীত হতে পারে।

তবে এর আগে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা (এফএও) খাদ্য সংকটের আশঙ্কা করেছিল। সংস্থাটি বলেছে, খাবারের অভাব এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে শুধু দুর্ভিক্ষই হবে তা নয়, বরং এর জেরে বিভিন্ন দেশে বৈষম্য ও সামাজিক অস্থিরতা বাড়বে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডাব্লিউএফপি) জানিয়েছে, করোনা মহামারী, সংঘর্ষ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০১৯ সালের পর বিশ্বজুড়ে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেড়ে সাড়ে ৩৪ কোটি ছাড়িয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, করোনা মহামারী শুরুর আগে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা মানুষের সংখ্যা ছিল সাড়ে ১৩ কোটি। এরপর এই সংখ্যা বেড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও সংঘর্ষের ফলে এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। গত অক্টোবরে প্রকাশিত ‘গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স-২০২২’ অনুযায়ী বর্তমানে পৃথিবীর ৪৪টি দেশে খাদ্যসংকটের কারণে ক্ষুধার মাত্রা ‘গুরুতর’ বা ‘ভয়ংকর’ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

ছবি

২০১৬ থেকে ২০২২ বাংলাদেশ ‘দুষ্টচক্রের ত্রিভুজে’ আটকে ছিল: হোসেন জিল্লুর

ছবি

চূড়ান্ত অনুমোদন পেল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক

ছবি

লাফিয়ে বাড়ছে কৃষি খাতের খেলাপি ঋণ

ছবি

সূচকের পতনে সপ্তাহ শুরু, দর হারিয়েছে তিন শতাধিক শেয়ার

ছবি

পোশাক কারখানার জন্য ‘৩ মাস সংকটময় হতে পারে’

ছবি

বিসিক বিজয় মেলার পর্দা উঠছে সোমবার

ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুঁজিবাজার বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিবে বিএএসএম

ছবি

আওয়ামী লীগ আমলের কারখানা চালু রাখার পক্ষে ফখরুল

ছবি

ডলার সংকট নেই, রোজার পণ্য আমদানি নিয়ে শঙ্কা নেই: গভর্নর

ছবি

পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে ২০ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা

ছবি

খেলাপি ঋণ সংকট কাটাতে ৫ থেকে ১০ বছর লাগবে: গভর্নর

ছবি

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু আগামী সপ্তাহে

ছবি

সাউথইস্ট ব্যাংকের নতুন এমডি খালিদ মাহমুদ

ছবি

তানজিল চৌধুরী প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত

ছবি

জ্বালানি নিরাপত্তা শিল্পখাতের টেকসই উন্নয়নে অন্যতম অনুষঙ্গ: ডিসিসিআই

ছবি

প্রথমবারের মতো দেশে আলু উৎসব হবে ডিসেম্বরে

ছবি

এখন পর্যন্ত ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ২০ লাখের বেশি করদাতা

ছবি

খেলাপি ঋণের চাপ মোকাবিলায় ৫–১০ বছরের সময় লাগতে পারে: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর

ছবি

শীতের সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত, তবুও কমছে না দাম

ছবি

ব্যাংক মার্জার: এক কাঠামোতে এনে কমছে ৫ ব্যাংকের বেতন

ছবি

ব্যাংক খাতে যে এত ‘রোগ’ আগে জানা-ই যায়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ছবি

আরও ৯ ব্রোকার হাউজকে ফিক্স সার্টিফিকেশন দিলো ডিএসই

ছবি

বাস্তবসম্মত প্রস্তাব নিয়ে আসুন, সুবিধা দিতে সরকার বাধ্য: বাণিজ্য উপদেষ্টা

ছবি

অর্থনীতির রক্তক্ষরণ হচ্ছে, সরকার ব্যবসায়ীদের চিৎকার শুনছে না: আনোয়ার উল আলম চৌধুরী

ডিএসই ও সিএসইর নতুন ব্যবস্থা, এখন অনলাইনেই সব নথি জমা দেয়া যাবে

ছবি

চট্টগ্রাম বন্দরে ভুটানের ট্রানজিটের চতুর্থ চালান খালাস

ছবি

ডিসেম্বরে ওয়ান স্টপ ডিজিটাল সার্ভিস ও আধুনিক ল্যান্ডিং পেজ চালু করবে ডিএসই

ছবি

ঢাকায় প্রথমবারের মতো হচ্ছে গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো

ছবি

বাংলাদেশ ব্যাংক আর বিএসইসির শীর্ষ ব্যক্তিরাও ব্যাংকের এমডি হতে পারবেন

ছবি

আর্থিক সেবার অন্তর্ভুক্ত ৭৫ শতাংশ গ্রাহকই ডিজিটাল সেবার বাইরে

ছবি

খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা

ছবি

অপরিহার্য না হলে নির্বাচন পর্যন্ত বিদেশ যেতে পারবেন না ব্যাংক কর্মকর্তারা

ছবি

সূচকের পতন, কমেছে লেনদেনও

ছবি

ন্যূনতম মজুরি চান ট্যানারিশ্রমিকেরা

ছবি

খসড়া আইপিও রুলস নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে বিএসইসির বৈঠক

ছবি

বেক্সিমকোর কারখানা- সদর দপ্তর নিলামে তুললো জনতা ব্যাংক

tab

রেকর্ড গড়তে পারে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক উৎপাদনে, আশাবাদী আইজিসি

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭ মে ২০২৩

নানা জল্পনা কল্পনা ছাড়িয়ে এবার রেকর্ড পরিমান খাদ্যশস্য উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২৩-২৪ বিপণন মৌসুমে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক উৎপাদন ইতিহাসের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল গ্রেইন কাউন্সিল (আইজিসি)। সম্প্রতি মাসভিত্তিক এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি এ তথ্য জানায়।

খাদ্যশস্যের বাজার শীর্ষক এ প্রতিবেদনে আইজিসি নতুন করে খাদ্যশস্যের উৎপাদন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে। আগের মাসের পূর্বাভাসের তুলনায় উৎপাদন আরও ৩০ লাখ টন বাড়বে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। মোট উৎপাদনের পরিমাণ ধরা হয়েছে ২২৯ কোটি ৪০ লাখ টন, যা রেকর্ড সর্বোচ্চ। ২০২২-২৩ মৌসুমে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ২২৯ কোটি ১০ লাখ টন।

সরবরাহের আকার বাড়লেও মৌসুমের শেষ নাগাদ খাদ্যশস্যের মজুদ সংকুচিত হয়ে পড়তে পারে। মজুদের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৫৮ কোটি টনে। আইজিসির পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মৌসুমে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক ব্যবহার সরবরাহের তুলনায় বাড়বে। আর এ কারণেই মৌসুমের শেষে মজুদে টান পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ মৌসুমে মোট খাদ্যশস্যের ব্যবহারের পরিমাণ পৌঁছাতে পারে ২৩০ কোটি ২০ লাখ টনে।

২০২৩-২৪ মৌসুমে সয়াবিন উৎপাদন ৯ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে আইজিসি। মোট উৎপাদনের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৪০ কোটি ৩০ লাখ টন। তেলবীজটির বৈশ্বিক বাণিজ্য দাঁড়াতে পারে ১৭ কোটি ৩০ লাখ টনে।

ব্রাজিলে উৎপাদন বেড়ে যাওয়ার প্রভাবে এ মৌসুমে ভুট্টা উৎপাদন হবে পারে ১২১ কোটি ৭০ লাখ টন। এপ্রিলের তুলনায় চলতি মাসে শস্যটির উৎপাদন পূর্বাভাস ২০ লাখ টন বাড়ানো হয়েছে। এর বাণিজ্যের পরিমাণ ধরা হয়েছে ১৭ কোটি ৩০ লাখ টন।

আইজিসি খাদ্যশস্য ও তেলবীজের মূল্যসূচক ৭ শতাংশ কমিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মূল্যসূচকটি ২৩ মাসের সর্বনিম্নে নেমে এলো। মূলত দাম কমার কারণে শস্য ক্রয়ের প্রবণতা বাড়ছে, যা মজুদকে নিম্নমুখী করে তুলছে।

সংস্থাটির দেয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মৌসুমে গম উৎপাদন হতে পারে ৭৮ কোটি ৩০ লাখ টন। গত মৌসুমের তুলনায় উৎপাদন ব্যাপক কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চাহিদার দিক থেকে ২০২৩-২৪ মৌসুমে শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশগুলো থেকে গমের বৈশ্বিক সরবরাহ রেকর্ড সর্বনিম্নে নামার আশঙ্কা রয়েছে। ২০০৭-০৮ মৌসুমের পর এবারই প্রথম সরবরাহ এতটা নিম্নমুখী হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। ফলে আরও বাড়তে পারে শস্যটির বাজারদর। শস্যটির বাণিজ্য বেড়ে ১৯ কোটি ৪০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। ব্যবহারও কিছুটা বেড়ে সাড়ে ৭৯ লাখ টনে পৌঁছার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ২০২৩-২৪ মৌসুমে বিশ্বজুড়ে ৫২ কোটি ১০ লাখ টন চাল উৎপাদনের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আগের মাসের মতোই এটির পূর্বাভাস অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২০২২-২৩ মৌসুমের তুলনায় উৎপাদন লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়বে। বাণিজ্য পূর্বাভাসও ৫ কোটি ৪০ লাখ টনে অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে শস্যটির ব্যবহার ১০ লাখ টন বেড়ে ৫২ কোটি টনে উন্নীত হতে পারে।

তবে এর আগে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা (এফএও) খাদ্য সংকটের আশঙ্কা করেছিল। সংস্থাটি বলেছে, খাবারের অভাব এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে শুধু দুর্ভিক্ষই হবে তা নয়, বরং এর জেরে বিভিন্ন দেশে বৈষম্য ও সামাজিক অস্থিরতা বাড়বে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডাব্লিউএফপি) জানিয়েছে, করোনা মহামারী, সংঘর্ষ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০১৯ সালের পর বিশ্বজুড়ে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেড়ে সাড়ে ৩৪ কোটি ছাড়িয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, করোনা মহামারী শুরুর আগে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা মানুষের সংখ্যা ছিল সাড়ে ১৩ কোটি। এরপর এই সংখ্যা বেড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও সংঘর্ষের ফলে এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। গত অক্টোবরে প্রকাশিত ‘গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স-২০২২’ অনুযায়ী বর্তমানে পৃথিবীর ৪৪টি দেশে খাদ্যসংকটের কারণে ক্ষুধার মাত্রা ‘গুরুতর’ বা ‘ভয়ংকর’ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

back to top