ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের হামলা এবং রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার গুলিবিদ্ধ হওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-মিছিল করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। শুক্রবার সন্ধ্যায় সাড়ে ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এরপর ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পদক্ষিণ শেষে জোহা চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
এ সময় আন্দোলনকারীরা ‘বিচার চাই, বিচার চাই, হাদি হত্যার বিচার চাই; ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ; ঝুমা, জাবের, আম্মার, জুলাইয়ের অহংকার; জিএসের ওপর হামলা কেন, ইন্টেরিম জবাব চাই; ইন্টেরিম সরকার, জুলাইয়ের গাদ্দার;
গুলি করে আমাদের, রুদ্ধ করা যাবে না’সহ নানা স্লোগান দেন।
সমাবেশে রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. নাজমুস সাকিব বলেন, ‘হাদি এমন একটা বাংলাদেশ চেয়েছিল, যে বাংলাদেশ পরনির্ভরশীল হবে না। কিন্ত দেশে থাকা বিদেশি দোসররা এটা মেনে নিতে পারে নাই। তারা তাকে হত্যা করে। যে জুলাইয়ের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ইন্টেরিম সরকার গঠিত হয়েছে, সেই সরকার আজ হাদি ভাইয়ের বিচারের দাবি করায় আমাদের উপর গুলি করছে। রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার আজ আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ইন্টেরিম সরকারের এই ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণের নিন্দা জানাই।’
উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল সংলগ্ন সড়ক থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ, পাশাপাশি জলকামান ব্যবহার করা করে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠলে পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে এবং কয়েক রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। আন্দোলনকারীদের দাবি, এ সময় পুলিশ গুলিও নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হন বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এছাড়া রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার, ডাকসুর নেত্রী ফাতেমা তাসনিম জুমাসহ অন্তত ৩০ জন।
অর্থ-বাণিজ্য: শেয়ারবাজারে সাপ্তাহিক লেনদেন বেড়েছে ১৫ শতাংশ
অর্থ-বাণিজ্য: আবার বাড়লো সোনার দাম
অর্থ-বাণিজ্য: সম্পর্ক উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ ভারত