নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দুই ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের কামাল উদ্দিনের ছেলে মোশারফ হোসেন সোহাগ (২৫) ও সুবর্ণচর উপজেলার চর আলাউদ্দিনের শাহাব উদ্দিনের ছেলে আলাউদ্দিন ওরফে সুমন (২২)।
শুক্রবার এ ঘটনায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে কোম্পানি গন্জ থানায় মামলা দায়ের করে। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত রাত ১১টার দিকে উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম পেশায় একজন শিক্ষানবিশ নার্স। তার সাথে বাড়ির পাশের একটি পোল্ট্রি খামারের শ্রমিক সুবর্ণচর উপজেলার বাসিন্দা সুমনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে প্রেমিক সুমন মুঠোফোনে কল করে প্রেমিকাকে গোপনে পোল্ট্রি খামারে ডেকে নেয়। এরপর তারা সেখানে তার ইছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক করে। তখন খামারের অপর শ্রমিক মোশারফ হোসেন সোহাগ তাদেরকে দেখে ফেলে। এরপর সোহাগ কৌশলে ভিকটিম এবং তার প্রেমিককে সবাইকে বলে দেওয়ার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে সোহাগ ভিকটিমের প্রেমিকের সহযোগিতায় তরুণীকে বার বার ধর্ষণ করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার আক্তার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
শুক্রবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৩
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দুই ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের কামাল উদ্দিনের ছেলে মোশারফ হোসেন সোহাগ (২৫) ও সুবর্ণচর উপজেলার চর আলাউদ্দিনের শাহাব উদ্দিনের ছেলে আলাউদ্দিন ওরফে সুমন (২২)।
শুক্রবার এ ঘটনায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে কোম্পানি গন্জ থানায় মামলা দায়ের করে। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত রাত ১১টার দিকে উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম পেশায় একজন শিক্ষানবিশ নার্স। তার সাথে বাড়ির পাশের একটি পোল্ট্রি খামারের শ্রমিক সুবর্ণচর উপজেলার বাসিন্দা সুমনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে প্রেমিক সুমন মুঠোফোনে কল করে প্রেমিকাকে গোপনে পোল্ট্রি খামারে ডেকে নেয়। এরপর তারা সেখানে তার ইছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক করে। তখন খামারের অপর শ্রমিক মোশারফ হোসেন সোহাগ তাদেরকে দেখে ফেলে। এরপর সোহাগ কৌশলে ভিকটিম এবং তার প্রেমিককে সবাইকে বলে দেওয়ার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে সোহাগ ভিকটিমের প্রেমিকের সহযোগিতায় তরুণীকে বার বার ধর্ষণ করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার আক্তার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।