ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে আলাদা দুটি স্থান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো একই ব্যক্তির দেহাংশ।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মালঞ্চ এলাকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশ থেকে তিনটি কার্টনে মোড়ানো অবস্থায় লাশের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়। পরে বিকেলে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মেদিনীমণ্ডল এলাকায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশ থেকে আরও একটি কার্টনে পাওয়া যায় একটি কাটা মাথা ও দেহের আরও কিছু অংশ।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সোহরাব আল হোসাইন বলেন, “নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ বছর। গায়ের রং শ্যাম। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে অন্য কোথাও হত্যা করে দেহাংশগুলো কার্টনে ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়েছে।”
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে কার্টনের চারপাশে কুকুর ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহ হলে কয়েকজন কাছে গিয়ে ভেতরে লাশের খণ্ডিত অংশ দেখতে পান। তারা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন।
ওসি আরও বলেন, “লাশের অংশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস এবং পেশাদার কায়দায় ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা এর পেছনে কে বা কারা জড়িত, সে বিষয়ে তদন্ত করছি।”
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে আলাদা দুটি স্থান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো একই ব্যক্তির দেহাংশ।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মালঞ্চ এলাকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশ থেকে তিনটি কার্টনে মোড়ানো অবস্থায় লাশের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়। পরে বিকেলে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মেদিনীমণ্ডল এলাকায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশ থেকে আরও একটি কার্টনে পাওয়া যায় একটি কাটা মাথা ও দেহের আরও কিছু অংশ।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সোহরাব আল হোসাইন বলেন, “নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ বছর। গায়ের রং শ্যাম। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে অন্য কোথাও হত্যা করে দেহাংশগুলো কার্টনে ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়েছে।”
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে কার্টনের চারপাশে কুকুর ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহ হলে কয়েকজন কাছে গিয়ে ভেতরে লাশের খণ্ডিত অংশ দেখতে পান। তারা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন।
ওসি আরও বলেন, “লাশের অংশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস এবং পেশাদার কায়দায় ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা এর পেছনে কে বা কারা জড়িত, সে বিষয়ে তদন্ত করছি।”