কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকায় জনি হোসেন (৩২) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে ওই এলাকার শীর্ষ অবৈধ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী সোহান। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
জানি জামালপুর এলাকায় মৃত জাকির হোসেনের ছেলে এবং শীর্ষ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী হত্যাকারী সোহান ওই এলাকার নাজিমুদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জনি শীর্ষ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী সোহানের হয়ে অস্ত্র ও মাদক বহনের কাজ করতেন।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে জনির প্রাপ্য টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে গত ২৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের মাঝে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সোহানের লোকজন জনিকে মারধর করে আহত করে, স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিলে তার পিঠে একাধিক সেলাই দিতে হয়।
ঘটনাকালে সোহান জনিকে হত্যার হুমকিও দিয়েছিল বলে জানা যায়। এ ঘটনায় প্রাণভয়ে জনি মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকায় রাত কাটান। শনিবার দুপুরে বাড়ি ফেরার পথে সোহানের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন জনির ওপর হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
হামলাকারীরা আতঙ্ক ছড়াতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছোড়ে। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি ওলাইমান শেখ জানান, মহিষকুন্ডি মাঠপাড়ায় একজনকে হত্যা করা হয়েছে।
এ মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়। আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থলে রয়েছে।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকায় জনি হোসেন (৩২) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে ওই এলাকার শীর্ষ অবৈধ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী সোহান। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
জানি জামালপুর এলাকায় মৃত জাকির হোসেনের ছেলে এবং শীর্ষ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী হত্যাকারী সোহান ওই এলাকার নাজিমুদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জনি শীর্ষ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী সোহানের হয়ে অস্ত্র ও মাদক বহনের কাজ করতেন।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে জনির প্রাপ্য টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে গত ২৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের মাঝে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সোহানের লোকজন জনিকে মারধর করে আহত করে, স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিলে তার পিঠে একাধিক সেলাই দিতে হয়।
ঘটনাকালে সোহান জনিকে হত্যার হুমকিও দিয়েছিল বলে জানা যায়। এ ঘটনায় প্রাণভয়ে জনি মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকায় রাত কাটান। শনিবার দুপুরে বাড়ি ফেরার পথে সোহানের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন জনির ওপর হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
হামলাকারীরা আতঙ্ক ছড়াতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছোড়ে। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি ওলাইমান শেখ জানান, মহিষকুন্ডি মাঠপাড়ায় একজনকে হত্যা করা হয়েছে।
এ মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়। আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থলে রয়েছে।