জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে অর্থের বিনিময়ে তথ্য সরবরাহ করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয় করার অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের কম্পিউটার অপারেটর কাম অফিস অ্যাসিস্টেন্টসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস ইউনিট তাদের গ্রেপ্তার করে। মালিবাগ সিআইডি সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বৃহস্পতিবার, (১৫ জানুয়ারী ২০২৬) এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো মো. হাবীবুল্লাহ, ও মো. আলামিন। তাদের দুজনের বাড়ি বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান জানান, গোপন খবরের ভিত্তিতে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন অফিস থেকে নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় গত ১৪ জানুয়ারি প্রথম দফায় আলামিনকে (৩৯) গ্রেপ্তার করা হয়।
পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওইদিন রাতে দ্বিতীয় দফায় মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের অন্যতম সহযোগী মো. হাবীবুল্লাহকে (৪১) গ্রেপ্তার করে সিআইডির বিশেষ টিম।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ২টি মোবাইল আলামত হিসেবে উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মো. হাবীবুল্লাহ মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে এবং আলামিন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর (আউট সোর্সিং) হিসেবে কর্মরত ছিল।
মামলার তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত হাবীবুল্লাহ ২০১৩ সাল থেকে নির্বাচন কমিশন অফিস ঢাকাতে কর্মরত ছিলেন। সে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে উপজেলা নির্বাচন অফিস গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জে বদলি হয়ে আসে।
অপরাধ ও দুর্নীতি: জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে জালিয়াতি, তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়
শিক্ষা: এসএসসি পরীক্ষা ২১ এপ্রিল শুরু