চট্টগ্রামের জাহাজভাঙা শিল্পের ব্যবসায়ী শওকত আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী-সন্তান এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এরই অংশ হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য চেয়ে রাজধানীর গুলশান থানায় চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ ডিসেম্বর মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালার আওতায় জারি করা একটি নোটিশে শওকত আলী চৌধুরীকে তার নিজের, স্ত্রী ও সন্তান এবং নির্ভরশীল ব্যক্তিদের দেশি-বিদেশি পাসপোর্ট এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে তাদের কাছে গত ১০ বছরের বিদেশ ভ্রমণের রেকর্ড, দেশে-বিদেশে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির তথ্য, আয়কর সংক্রান্ত নথিপত্র, বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যবসায় মালিকানা ও শেয়ার হোল্ডিংয়ের বিবরণ, বিদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকারের অনুমোদন এবং বিদেশে সম্পত্তি কেনার সব নথি চাওয়া হয়েছে।
সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক গোলাম ছরোয়ার নোটিশে সই করেছেন। রাজধানীর গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) প্রতি নোটিশ পাওয়ার পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এসব নথি সংগ্রহ করে সিআইডির মালিবাগ কার্যালয়ে পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের নভেম্বরে শওকত আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী ও সন্তান এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের পক্ষ থেকেও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দুদক তাদের বিরুদ্ধে ব্যাংক হিসাব থেকে অস্বাভাবিক লেনদেন এবং ঋণপত্রের মাধ্যমে জাহাজভাঙা ব্যবসার আড়ালে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান করছে।
অর্থ-বাণিজ্য: ছয় মাসে এডিপি বাস্তবায়ন সাড়ে ১৭ শতাংশ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অভিবাসন প্রত্যাশীদের ভিসা যাচাইয়ে আইভিআর সেবা চালু করল ‘আমি প্রবাসী’
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: বিটিসিএল এর .bd ডোমেইন সেবায় মূল্যছাড়
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: ইউনেট ও ইয়ুথ হাব এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর