image

র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যা

জনবিস্ফোরণের হুমকি দিলেন প্রধান আসামি

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোহাম্মদ ইয়াসিন দিয়েছেন জনবিস্ফোরণ ঘটানোর হুমকি। বলেছেন, অভিযানের নামে ‘ঢালাও গ্রেপ্তার’ করতে দেওয়া হবে না। ইয়াসিনের প্রায় ২৯ মিনিটের ওই বক্তব্যের ভিডিও বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। যা ধারণ করা হয় আগের দিন বুধবার বিকেলে জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে তাঁর কার্যালয়ে।

ভিডিওতে দাবি করেছেন, কাউকে ধরতে হলে অভিযানের আগে আসামির নাম–ঠিকানা জানাতে হবে। তা না হলে এলাকায় বড় ধরনের ‘জনবিস্ফোরণ’ ঘটতে পারে। দীর্ঘ ভিডিওতে ইয়াসিন দাবি করে আরও বলেন, ‘এসব ক্রাইমের ফান্দে পাড়া দিয়া কেউ যদি কোনো ঝামেলা করে, এতে কিন্তু বড় ধরনের পাবলিক বিস্ফোরণ ঘটবে। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা হলে এর দায়ভার প্রশাসনকেই নিতে হবে।’

নিজেকে সন্ত্রাসী নন বলে দাবি করে ইয়াসিন ভিডিওতে বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের জমি তাঁদের ক্রয় করা সম্পত্তি ও সেখান থেকে তাঁদের উচ্ছেদ করা যাবে না। তিনি দাবি করেন, এর আগে এক সাবেক জেলা প্রশাসক সেখানে উচ্ছেদে গিয়ে এখন ‘উধাও’ হয়ে গেছেন। জঙ্গল সলিমপুরে পরিচালিত র‍্যাবের অভিযানের সততা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক (বহিষ্কৃত) রোকন উদ্দিনকে এলাকায় অস্থিরতার জন্য দায়ী করেন।

ইয়াসিনের হুমকির বিষয়ে সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘ইয়াসিনকে গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এর আগে ১৯ জানুয়ারি বিকেল চারটার দিকে জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান চালাতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছেন র‍্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। এ ঘটনায় ২১ জানুয়ারি রাতে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করে র‍্যাব। মামলায় মোহাম্মদ ইয়াসিনকে প্রধান আসামি করে ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ২০০ জনকে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, র‍্যাব সদস্যরা আসামি ধরতে গেলে ইয়াসিনের নির্দেশে রামদা, কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় র‍্যাবের আটক এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। সে সময় র‌্যাবের চার সদস্যকে অপহরণ করা হয়। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে তাদের উদ্ধার করে।

‘অপরাধ ও দুর্নীতি’ : আরও খবর

সম্প্রতি