ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলো।
এই বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় গত ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু করে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চব্বিশ ঘণ্টা নির্বাচনী জরুরি সেবা প্রদান করা হয়। এই সময়ে নির্বাচনী অনিয়ম, আচরণবিধি লঙ্ঘন ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে মোট ৮ হাজার ৩৮০টি ফোনকল জমা পড়েছে বলে জানানো হয়েছে।
রোববার বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সব তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কলগুলোর মধ্যে ৩ হাজার ৭১৩টি ছিলো সরাসরি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে মারামারি, নিষিদ্ধ সময়ে নির্বাচনী প্রচারণা এবং ভোটকেন্দ্রের অনিয়ম সংক্রান্ত। এ সব অভিযোগ পাওয়ার পর ৯৯৯ কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সংশ্লিষ্ট থানা, জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশসহ রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সব অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
বাকি ৪ হাজার ৬৬৭টি ফোনকল ছিল নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও জিজ্ঞাসার বিষয়ে। নির্বাচনকালীন সময়ে “আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল” এর সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখে এই সেবা প্রদান করা হয়েছে। ভোটার ও সাধারণ মানুষের জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত সাড়া দিতে ৯৯৯ এর এই বিশেষ তৎপরতা নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।