image

পুলিশে গণতান্ত্রিক সংস্কার ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে জোর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

দীর্ঘ দেড় যুগ পর একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বর্তমান সরকারের প্রতি জনগণের ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। বিশেষ করে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তাদের পেশাদারিত্বের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা ও প্রত্যাশা পূরণের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে যে ধরনের গণতান্ত্রিক সংস্কার প্রয়োজন, তার অগ্রাধিকার এখন নির্ধারণ করতে হবে।

সদ্য দায়িত্ব নেওয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে নির্বাচনী ইশতেহারের দ্রুত বাস্তবায়ন। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং বাহিনীর ভেতরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

সামাজিক অস্থিরতা ও বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশ থেকে “মব কালচার” বা গণপিটুনির মতো সংস্কৃতি পুরোপুরি বন্ধ করতে চায়। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না।

একই সাথে মাদক নির্মূলে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়েও তিনি ইতিবাচক ইঙ্গিত দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মাদকের স্পটগুলো বন্ধে এবং তরুণ সমাজকে এর করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে বিশেষ অভিযান ও তদারকি জোরদার করা হবে।

এর আগে সচিবালয়ে কাজে যোগদানের সময় নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আগামীর কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন। কক্সবাজার থেকে প্রথম মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া এবং নিজ জেলার প্রত্যাশা নিয়েও তিনি নিজের অনুভূতির কথা ব্যক্ত করেন। জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই এই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

‘অপরাধ ও দুর্নীতি’ : আরও খবর

» পুলিশে গণতান্ত্রিক সংস্কার ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে জোর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সম্প্রতি